
অভিযুক্ত গাজী মিজানুর রহমান ও তার বিলাস বহুল ল্যান্ডক্রজার গাড়ী
নাছরুল্লাহ আল কাফী (অনুসন্ধানী প্রতিবেদন-১): পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলার গুয়ারেখা ইউনিয়নের ব্যাসকাঠি গ্রামের বাসিন্দা গাজী মিজানুর রহমান ফুটপাতের সুপারি বিক্রেতা থেকে এখন শত কোটি টাকার মালিকবনেগেছে। গ্রামের পঞ্চম শ্রেণি পাশ করা এই ব্যাক্তি একসময় এলাকার বাজারের রাস্তায় বসে সুপারি বিক্রি করত। এই সল্প শিক্ষিত ব্যাক্তি খুব অল্প সময়ে এখন টাকার কুমির। দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এর দেওয়া এক অভিযোগের সূত্রে এর তথ্য উঠে এসেছে।
অভিযোগে জানা গেছে ফুটপাতের সুপারী বিক্রেতা গাজী মিজানুর রহমান মিজান হঠাৎ আঙ্গুল ফুলে কলা গাছে রূপান্তরিত হয়েছে। ফুটপাতের সুপারি ব্যবসা ছেড়ে মাত্র বার বছরের ব্যবধানে সে শত কোটি টাকা মালিক।
সম্প্রতি সে নেছারাবাদ উপজেলার গুয়ারেখা ইউপি উপ-নির্বাচনে কয়েক কোটি টাকা ব্যায় করে ইউপি চেয়ারম্যান হয়েছে। একাধিক সূত্র মতে ঢাকায় বসবাসরত এই নব্য ধনকুবের ব্যাক্তি এলাকায় তার পূর্বপরিচিতি বদলাতে হয়েছেন চেয়ারম্যান। তবে এসব মিথ্যা বলে দাবি করেছে অভিযুক্ত মিজান গাজী।
অভিযোগে বলা হয়েছে গাজী মিজানুর রহমান এর ঢাকার নামিদামি স্থানে নামে বেনামে রয়েছে অনেক জমি ফ্লাটবাড়ী। রয়েছে একটি বিলাশবহুল গাড়ী। গাজী মিজানুর রহমান এর শিক্ষাগত যোগ্যতা ৫ম শ্রেণী। কিন্তু তিনি বিএ পাসের জাল সার্টিফিকেট দাখিল করে ‘রবিন টেক্স (বাংলাদেশ)’ নামক একটি প্রতিষ্ঠানে চাকরী করেছেন ১২বছর যাবত। চাকরী ও অবৈধ ব্যবসা করে ২০০৫ থেকে ২০২৩ মধ্যে গাজী মিজানুর রহমান শত কোটি টাকার মালিক হয়েছে।
তবে এ বিষয়ে গাজী মিজানুর রহমানের কাছে জানতে চাইলে গাজী মিজানুর রহমান বলেন, “এ অভিযোগ মিথ্যা। একটি মহল আমাকে হেও প্রতিপন্ন করতে ষড়যন্ত্র চালাচ্ছে”।
বিস্তারিত তথ্যসহ আসছে আগামী পর্বে….