
একনায়ক প্রেসিডেন্ট পুতিন বিভিন্নভাবে তার বিরোধীদের হেনস্তা করেন। তার প্রধানবিরোধী অ্যালেক্সি নাভালনিকে নার্ভ গ্যাস প্রয়োগে হত্যার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়ে বর্তমানে জেলবন্দি করে রাখা হয়েছে। নাভালনির মুক্তির দাবিতে বিক্ষোভ চলছে কয়েকদিন। বাড়ছে প্রতিবাদের আকার। ফলে বিক্ষোভ দমাতে রোববার সব মেট্রো স্টেশন বন্ধ করে মস্কোতে চলাচলে বিধিনিষেধ দেওয়া হয়েছে।
একদিনে অন্তত ৫০০ মানুষকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গত সপ্তাহের বিক্ষোভের পর থেকে কমপক্ষে চার হাজার মানুষ গ্রেফতার হয়েছেন। নাভালনিপন্থিদের আটক রাখতে পুলিশকে হিমশিম খেতে হচ্ছে। নার্ভ গ্যাস প্রয়োগের পর জার্মানিতে চিকিৎসা নিয়ে ১৭ জানুয়ারি দেশে ফিরেই বিমানবন্দরে গ্রেফতার হন নাভালনি। তার বিরুদ্ধে স্থগিত শাস্তির বিধান মেনে চলেননি বলে অভিযোগ আনা হয়।
দুর্নীতির মামলায় তার বিরুদ্ধে হওয়া সাজা স্থগিত করা হয়। তবে তাকে নিয়মিত পুলিশের কাছে রিপোর্ট করতে বলা হয়েছিল। তিনি তা করেননি বলে আটক হন। পুতিনবিরোধী নাভালনি দুর্নীতির তীব্র সমালোচক। তাকে হেনস্তা, হত্যাচেষ্টা ও ধরপাকড়ে রাশিয়ার মানুষ ক্ষুব্ধ। তারই প্রমাণ হাজারো মানুষের স্বতস্ফূর্ত বিক্ষোভে উপস্থিতি।
আঞ্চলিক রাজনীতিক হেলগা পিরোগোভা বলেন, ‘নোভোসিবিরস্কে রোববারের বিক্ষোভে আগের চেয়ে উপস্থিতি বেশি। দেশে যা ঘটছে তাতে মানুষ এখনো ক্ষুব্ধ।’ মস্কোতে প্রতিবাদে জড়ো হওয়া মানুষের কণ্ঠে স্লোগান ছিল ‘স্বাধীনতা’, ‘পুতিন একটা চোর’ ইত্যাদি। পুতিনের মনসদ কাঁপানো এই বিক্ষোভে নিজের মেয়ে নিয়ে সেন্ট পিটার্সবার্গে আসা নাটালিয়া গ্রিগোরইয়েভা বলেন, ‘গোটা বিক্ষোভস্থল ঘিরে রেখেছে পুলিশ। এরা কারা, যারা নিজেদের মানুষের বিরুদ্ধে।