Tue. Apr 20th, 2021

Category: অন্যরকম

চাঁদার দাবিতে দক্ষিণখান পয়সা বাজারে হামলা

খােলাবাজার২৪, সোমবার, ১৯এপ্রিল ২০২১ঃ রাজধানীর দক্ষিণখান কাওলায় সদ্য উদ্বোধন হওয়া সুপারশপ পয়সা বাজারে মোটা অংকের চাঁদার দাবিতে হামলা করছে একটি…

ছয়টি স্থানে পর্যটকদের বিড় বেড়েছে

খােলাবাজার২৪,মঙ্গলবার ,৩০ র্মাচ ২০২১ঃ বাংলাদেশে সম্প্রতি বেশ কয়েকটি নতুন স্থান ভ্রমণকারীদের গন্তব্য হিসেবে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। এসব জায়গায় আগে মানুষের…

যেকোনো ধরনের ব্ল্যাকহেডস দূর করার ঘরোয়া উপায়

খােলাবাজার২৪, মঙ্গলবার, ২৩র্মাচ ২০২১ঃ যেকোনো ধরনের ত্বকেই ব্ল্যাকহেডসের সমস্যা দেখা দিতে পারে। এটি সাধারণত নাক, গলা, পিঠ, বুক ও কপালে বেশি…

আবহমান বাংলার সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যে এখন বিলুপ্তির পথে!

খােলাবাজার২৪, শনিবার, ২০র্মাচ ২০২১ঃ আবহমান বাংলার সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ উত্তরাধিকার ও অনুষঙ্গিক উপাদান হলো চিঠি। যা বাঙলির যাপিত জীবনে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কাগজ আবিষ্কারের আগে মানুষ গাছের পাতায়, গাছের ছালে, চামড়ায়, ধাতব পাতে চিঠি লিখত। আর পাতায় বেশি লেখা হতো বলেই এর নাম হয় ‘পত্র’। যোগাযোগের সবচেয়ে সহজ ও একমাত্র মাধ্যম ছিল এই চিঠি। কিন্তু বিজ্ঞানের অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে টেলিফোন, টেলিগ্রাম, ওয়ারলেস, টেলেক্স, ফ্যাক্স, মোবাইল ফোন, ইন্টারনেট ইত্যাদির মাধ্যমে প্রয়োজনীয় খবরা-খবর মুহূর্তের মধ্যে অপরের কাছে পৌঁছানো যাচ্ছে বিধায় ধীরে ধীরে হাতে লেখা চিঠি হারিয়ে যাচ্ছে। অথচ কিছুদিন আগেও এই চিঠিই ছিলো যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম। আর চিঠিপত্র আদান-প্রদানের ব্যবস্থায় ছিলো পোষ্ট অফিস। ফলে সেই সময় পোষ্ট অফিসের সামনে দেখা যেতো মানুষের উপচে পড়া ভিড়। হাতে-কলম লেখা পত্রগুলো পড়ে কখনো আনন্দে মুখে হাসি ফুটত, আবার কখনও চোখের পানি গড়িয়ে পড়ত। প্রযুক্তির যুগ আসার আগে এই চিঠি কখনও বিনোদনের খোরাক যোগাত, কখনও ব্যথাতুর হৃদয়ে কান্না ঝরাতো, কখনও উৎফুল্ল করত, কখনও করত আবেগাপ্লুত। কী যে সেই অদ্ভুত টান ছিল কালি ও কাগজে লেখা চিঠিতে। কিছু কিছু চিঠি বার বার খুলে পড়া হতো। যেন কোনদিনই পুরাতন হবেনা হৃদয়ের এই ভাষা। প্রযুক্তির উৎকর্ষের এই যুগে সেসব আনন্দ আজ ম্লান। নন্দিত সুপ্রাচীন যোগাযোগের মাধ্যম পরিকল্পিত উন্নয়নের ছোঁয়াতে বদলে যাচ্ছে বাংলাদেশ। বদলে যাচ্ছে দেশের ইতিহাস-ঐতিহ্যের তথ্য আদান-প্রদানের বৃহৎ মাধ্যম ডাকঘর। এরই মধ্যে বদলে গেছে ছোট্ট একটি শব্দ চিঠি এবং তার মাধ্যমে আদান-প্রদানের প্রচলনও। চিঠির প্রচলন ও ইতিহাস অনেক পুরোনো। চিঠিকে একজনের পক্ষ থেকে অন্যজনের কাছে লিখিত বার্তা বললেও ভুল হবে না। চিঠি বন্ধু এবং আত্মীয় স্বজনদের খুবই ঘনিষ্ঠ করতো, পেশাদারি সম্পর্ককে খুব উন্নয়ন করতো এবং আত্মপ্রকাশের সুযোগ প্রাণবন্ত করে তুলতো। কিন্তু নিজ হাতে চিঠি লেখার প্রচলন এখন নেই বললেই চলে। আধুনিক যুগের উন্নত প্রযুক্তির ছোঁয়ায় কাগজ-কলমের মাধ্যমটি বিলুপ্তির দ্বারপ্রান্তে। স্ব-হস্তের লেখা চিঠির মধ্যেই হৃদয়ের শত সহস্র কথা ও তার আবেগ, আকুলতা এবং ব্যাকুলতা সব বিষয় প্রকাশ পেত। মা-বাবা তার সন্তানের হাতের লেখা চিঠি যখন পেতেন, ঠিক তখনই কোমল হৃদয় দিয়ে পড়ে নিতেন। চিঠির মধ্যেই বাবা-মা নিজের সন্তানের মুখটাও দেখতে পেতেন। অবচেতনে চিঠি বুকে জড়িয়েও আদর করতেন। প্রাচীনকাল থেকেই মানুষ চিঠি আদান-প্রদান করেছে, তা হিরোডোটাস ও থুসিডাইডিসের রচনাবলীতে উল্লেখ করাও আছে। চিঠির বিবর্তন যুগে যুগে চিঠির যুগে মানুষের ভাষাজ্ঞানের সীমাবদ্ধতা থাকলেও আন্তরিকতার বিন্দুমাত্র কমতি ছিল না চিঠির পাতায়। বানান ও ভাষাগত ভুলভ্রান্তি যেন চাপা পড়েছিল তাদের আন্তরিক ভালোবাসার আড়ালে। আগেকার দিনে চিঠি লিখে রাজা-বাদশারা এক রাষ্ট্রের সাথে অন্য যে কোনো রাষ্ট্রের সম্পর্ক স্থাপন করতো এবং দেশের কূটনীতিকদের মধ্যে খবর আদান-প্রদান করা হতো। স্ব-দেশের খবর দূর-দূরান্তে পৌঁছাতে ঘোড়ায় সওয়ার হয়ে বা কবুতর কিংবা পাখির পায়ে চিঠি লিখে উড়িয়ে দেয়া হতো। প্রতু্ত্তরে অন্যান্য দেশের রাজারাও কবুতরের পায়ে চিঠি লিখে খবর পাঠিয়ে দিতেন। জানা যায়, সম্রাট শের শাহের আমলে ঘোড়ায় চড়ে ডাক বিলির প্রথা চালু হয়। কালক্রমে জমিদাররাও এই প্রথা চালু রেখেছিল। এরই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশের প্রতিটি জেলায় চিঠি আদান-প্রদানের প্রচলন ঘটে। রানাররা পিঠে চিঠির বস্তাসহ এক হাতে হারিকেন অন্য হাতে বর্শা নিয়ে রাতের অন্ধকারে এক গ্রাম থেকে অন্য গ্রামে ছুটে যেতেন। শত ফুল দিয়ে গাঁথা গল্প বা উপন্যাস অশিক্ষিত লোকজন শুধুমাত্র চিঠি পড়া ও লেখার জন্যেই যেন স্বাক্ষরতা অর্জনের চেষ্টা করেছিল। সেই সময়ে শিক্ষার বিস্তারে বিশাল অবদান রেখেছে ‘চিঠি’। আবার পারিবারিক চিঠিগুলো অনেক সময় খবরের কাগজের বিকল্প হিসাবেই যেন ব্যবহৃত হতো। চিঠিতে গ্রামের যে কোন ঘটনা ও আশা-ভরসার খবর, আবাদের খবর বা প্রাকৃতিক দুর্যোগের খবরসহ বিভিন্ন খবর লেখা থাকত। আসলে হাতে লেখা চিঠি পরিবারের মধ্যে যেন নিবিড় সম্পর্ক ও ভালবাসার গভীরতার সেতুবন্ধন সৃষ্টি করতো। প্রেম ভালোবাসার চিঠিগুলো ছিল একেকটি কালজয়ী বৃহৎ প্রেমের ইতিহাস। প্রচলিত চিঠির যুগে সকল প্রেমিক-প্রেমিকারা হৃদয়ের আকুলতা-ব্যাকুলতা কিংবা প্রতীক্ষার প্রহরের খুঁটিনাটি সহজ সরল ভাষায় মনের মাধুরী মিশিয়ে লিখতেন। যা পড়ে পুলকিত হওয়ার পাশাপাশি তা সংগ্রহ করে রাখতেন প্রিয়জনেরা। চিঠিগুলোর ভাষা ও ভাবকে মনে হতো শত ফুল দিয়ে গাঁথা একটি গল্প বা উপন্যাস। চিঠি ও আবেগ একটা সময় ছিল সেটা সম্ভবত নব্বইর দশকে। অফিসের খাকি পোশাকের পিয়ন দরজায় কড়া নেড়ে যখন উচ্চস্বরে হাক দিত চিঠি চিঠি…. বলে। তখন কে আগে চিঠি নেবে এজন্য ঘরের শিশুদের মাঝে দৌড় প্রতিযোগিতা শুরু হয়ে যেতো। মা-বাবা তার সন্তানের হাতে লেখা চিঠি যখন পড়তেন হৃদয় দিয়ে। আবার যে মা-বাবা নিজে পড়তে পারতেন না, তারা গ্রামের পড়তে পারা লোকদের কাছে নিয়ে যেতেন একটু পড়ে দেওয়ার জন্য। আবার দীর্ঘদিন ঘরের দরজায় পিয়নের কড়া নাড়া না শুনলে পিতামাতার মনে সন্তানের জন্য দুশ্চিন্তার কালো মেঘ জমতো। প্রেমের চিঠি তখন বাজারে প্রচুর রাইটিং প্যাড ও চিঠি লেখার প্যাড পাওয়া যেতো। রঙ-বেরঙের হরেক রকমের প্যাডে প্রিয়জনের কাছে সুস্পষ্ট হরফে বিভিন্ন কালি বা কলমের মাধ্যমে চিঠি লেখা হতো। আবার চিঠিটা লিখে আঠা দিয়ে খামের মুখটা বন্ধ করে তাতে স্ট্যাম্প সেঁটে, বহুদূর হেঁটে গিয়ে ডাকবাক্সে বা ডাকঘরে চিঠি নিয়ে যেতে হতো। প্রেম ও ভালোবাসার ক্ষেত্রে যদি প্রেমের ব্যর্থতা আসতো, সেক্ষেত্রে চিঠি দিয়ে অনুভূতিগুলোকে প্রকাশ করতেন। কোনও কোনও চিঠি পড়ে হৃদয় জুড়িয়ে যেত, এতটাই স্পর্শকাতর ছিল সেসব চিঠির ভাষা। চিঠির জন্য দিনের পর দিন ডাক পিয়নের প্রতীক্ষায় থাকত মানুষেরা। কখন পিয়ন এসেই কাঙ্খিত চিঠিটি তার হাতে দেবে। চিঠি পেলেই মনের মধ্যে সে কী আনন্দ! সেই অনুভূতি ভাষায় লিখে প্রকাশ করা সম্ভব নয়! সেই চিঠি পড়ে শেষ না করা পর্যন্ত শান্তি মিলতো না। পোস্ট অফিসের এসব চিঠিকে ঘিরেই এসেছে সভ্যতা। প্রথম স্ট্যাম্প করা চিঠি ১৮৪০ সালে রানী ভিক্টোরিয়ার রাজত্বকালে শুরু হয়। মানুষের মনের ভাব আদান-প্রদানে চিঠি দীর্ঘকাল ধরেই রাজত্ব করেছে। এই মাধ্যম যত দিক দিয়ে সফল হয়েছিল, তা ভবিষ্যতে অন্য কোনো মাধ্যমের দ্বারা সফলতা পাবে কিনা সন্দেহ। তাই চিঠির যুগের কথা মনে হলে এখনো যেন মানুষের কানে ভেসে আসে বাংলা ছায়াছবির জনপ্রিয় গান- নাই টেলিফোন নাইরে পিয়ন নাইরে টেলিগ্রাম/বন্ধুর কাছে মনের খবর কেমনে পৌঁছাইতাম/বন্ধুরে তোর লাগি পরবাসী হইলাম।/ শিমুল যদি আমি হইতাম শিমুলের ডালে/ শোভা পাইত রূপ আমার ফাগুনেরও কালে।…

বিসিএস পরীক্ষা এ মুহূর্তে বন্ধ করা খুবই কঠিন : পিএসসি চেয়ারম্যান

খােলাবাজার২৪, বৃহস্পতিবার, ১৮ র্মাচ ২০২১ঃ ৪১তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষা আগামীকাল (১৯ মার্চ) হওয়ার কথা। এই পরীক্ষার সব প্রস্তুতি গ্রহণ করার পর…

পুরান ঢাকায় আলোকচিত্রে বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধের দেয়াল

খােলাবাজার২৪,বুধবার,১৭ র্মাচ ২০২১ঃ পুরান ঢাকার বাহাদুর পার্কে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০১ তম জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে আলোকচিত্রে…

যমুনা ব্যাংক লিমিটেড এবং জবহধরংংধহপব ঢাকা গুলশান হোটেলের সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর

খােলাবাজার২৪,রবিবার,১৪ র্মাচ ২০২১ঃ সম্প্রতি যমুনা ব্যাংক লিমিটেড এবং রিনাইসেন্স ঢাকা গুলশান হোটেলের সাথে একটি সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। যমুনা ব্যাংকের উপব্যবস্থাপনা…