ঢাকা: তথ্য-প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহারের মাধ্যমে নিয়মিত প্রশিক্ষণ নিয়ে এগিয়ে যাবে স্বতন্ত্র প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্টের (পিজিআর) সদস্যরা এমন আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
পিজিআর’র ৪০তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদযাপন অনুষ্ঠানে রোববার (০৫ জুলাই) বিকেল পৌনে ৬টায় ঢাকা সেনানিবাস রেজিমেন্ট সদর দফতরে
তিনি এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, নিরাপত্তার দায়িত্ব পালনে প্রশিক্ষণের কোনো বিকল্প নেই। আমরা প্রতিটি ক্ষেত্রে ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করেছি। আমি আশা করি, আপনারা তথ্য-প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহারের মাধ্যমে নিয়মিত প্রশিক্ষণ ও পেশাগত অনুশীলন চালিয়ে যাবেন।
তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ যখনই সরকার গঠন করেছে তখনই এ রেজিমেন্টের উন্নয়নে কাজ করেছে। ১৯৯৮ সালে আওয়ামী লীগ সরকারই সর্বপ্রথম গার্ডস সদস্যদের ঝুঁকির কথা বিবেচনা করে গার্ডস ভাতার প্রচলন করে। ২০১৩ সালের ৮ এপ্রিল ঐতিহ্যবাহী এই প্রতিষ্ঠানকে ‘স্বতন্ত্র’ মর্যাদা দেওয়া হয়। একই বছর ৭ অক্টোবর পিজিআর’র নতুন সাংগঠনিক কাঠামোর অনুমোদন দেওয়া হয় যা এখন পূর্ণাঙ্গভাবে কার্যকর হয়েছে। এর ফলে পিজিআর’র জনবল ২ হাজারে উত্তীর্ণ হয়েছে।
জনবল বৃদ্ধির পাশাপাশি পিজিআর’র জন্য প্রয়োজনীয় যানবাহন, বিভিন্ন ধরনের অস্ত্র, এপিসিসহ আধুনিক সরঞ্জামাদির সরবরাহ বহুগুণে বৃদ্ধি করা হয়েছে। যার ফলে রেজিমেন্টের সামর্থ্য বৃদ্ধি পেয়েছে। কর্তব্যপালন সহজ হয়েছে। সদস্যদের মনোবলও দৃঢ় হয়েছে বলে আমার বিশ্বাস।
ইতোমধ্যে গণভবনে ১৫০ জন গার্ডস সদস্যের জন্য বসবাসযোগ্য একটি ব্যারাক নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে। এতে গণভবনে দীর্ঘদিনের আবাসিক সমস্যার অনেকটাই সমাধান হবে।
এসময় কোয়ার্টার গার্ড পরিদর্শন, রেজিমেন্টে কর্মরত অবস্থায় নিহত শহীদদের স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাৎ এবং তাদেরকে উপহার দেওয়ার পাশাপাশি স্বতন্ত্র পিজিআর’র প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত বিশেষ ইফতার ও প্রীতিভোজে অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী।
স্বাধীন বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান অসামান্য দূরদর্শিতা দিয়ে ও রাষ্ট্রীয় প্রয়োজনে ১৯৭৫ সালে ঢাকা সেনানিবাসে পিজিআর প্রতিষ্ঠা করেছিলেন।