মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০১৫
বাহরাইনে প্রায় ৬১ হাজারের মত অবৈধ অভিবাসী রয়েছেন। এদের মধ্যে যেসব শ্রমিকের পাসপোর্ট নেই বা হারিয়ে গেছে, তাদের ইমার্জেন্সি আউটপাস (জরুরি বহির্গমন) সার্টিফিকেট সরবরাহে সহযোগিতা করার জন্য সংশ্লিষ্ট দূতাবাসকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
বাহরাইনের শ্রম বাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা লেবার মার্কেট রেগুলেটরি অথরিটির (এলএমআরএ) প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) আউসামা আবদুল্লা আল আবছি এ তথ্য জানান।
তিনি জানান, বাহরাইনে রানওয়ে (কাজে অনুপস্থিত বা কাজ থেকে পলাতক) অথবা ওভার স্টে (ভিসার মেয়াদ শেষ হবার পরও নতুন ভিসা না নিয়ে অতিরিক্ত সময় অবস্থান) করছেন এমন অবৈধ অভিবাসীর সংখ্যা প্রায় ৬১ হাজার।
বাহরাইনে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসের দেওয়া তথ্য মতে, দেশটিতে প্রায় ৩০ হাজারের মতো অবৈধ বাংলাদেশি রয়েছেন। এদের মধ্যে যাদের পাসপোর্ট নেই বা হারিয়ে গেছে, তাদের ইমার্জেন্সি আউটপাস (জরুরি বহির্গমন) সার্টিফিকেট সরবরাহে সহযোগিতা করার জন্য সংশ্লিষ্ট দূতাবাসকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ইতোমধ্যে অনেকে এ সুবিধা গ্রহণ করেছেন।
সাধারণ ক্ষমার সুবিধা পেতে সব ধরনের আর্থিক লেনদেন বা দালালের মাধ্যম পরিহার করার জন্য অভিবাসীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, পূর্বের মালিকের কোনো সহযোগিতা ছাড়াই একজন অবৈধ প্রবাসী বৈধতার সুযোগ গ্রহণ করতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে এলএমআরএ সব সহযোগিতা করবে।
এলএমআরএ সূত্র জানায়, ২০০৭ ও ২০০৯ এর তুলনায় এবার বেশি সাড়া পাওয়া যাচ্ছে এবং অভিবাসীরাও বিপুল উৎসাহে সাধারণ ক্ষমার সুযোগ নিচ্ছেন।
আবছি আশা প্রকাশ করেন, আগস্ট মাসের তুলনায় সেপ্টেম্বর মাসে বেশি সংখ্যক অবৈধ অভিবাসী এ সুযোগ নেবেন।
চলতি বছর পহেলা জুলাই থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ছয় মাসের জন্য বাহরাইন সরকার প্রবাসীদের জন্য সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা করে। বাহরাইনে এ পর্যন্ত প্রায় ১০ হাজার অবৈধ প্রবাসী সাধারণ ক্ষমার সুযোগ গ্রহন করেছে। এর মধ্যে ৮ হাজার প্রবাসী বাহরাইনে ভিসা পরিবর্তন করে বৈধভাবে কাজ করার সুযোগ গ্রহণ করেছে এবং ২ হাজার অবৈধ প্রবাসী কোনো প্রকার জরিমানা ছাড়াই বাহরাইন ত্যাগ করেছে।
এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্যের জন্য এলএমআরএ-এর ওয়েব সাইট (িি.িষসৎধ.নয) অথবা কল সেন্টারে (১৭৫০৬০৫৫) যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।