খোলা বাজার২৪বৃহস্পতিবার, ১১ ফেব্রুয়ারি ২০১৬: সোনার দাম ভরিপ্রতি ১ হাজার ২২৫ টাকা বাড়ানোর পর এক সপ্তাহ না যেতেই আবার সমপরিমাণ মূল্য বাড়িয়েছেন বাংলাদেশের ব্যবসায়ীরা।
প্রতি ভরি ভালো মানের সোনার দর ৪৪ হাজার ৯৬৫ টাকা ঠিক করা হয়েছে বলে বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতির (বাজুস) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
শনিবার থেকে নতুন দর কার্যকর হবে বলে জানিয়েছেন সমিতির সাধারণ সম্পাদক এনামুল হক খান।
সোনার দাম ভরিতে এক হাজার ২২৫ টাকা বাড়ানোর সঙ্গে রুপার দামও বেড়েছে ভরিতে ৫৮ টাকা।
নতুন দর অনুযায়ী,প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট সোনার দাম পড়বে ৪৪ হাজার ৯৬৫ টাকা। ২১ ক্যারেট ৪২ হাজার ৮৬৫ টাকা এবং ১৮ ক্যারেটের দাম হবে ৩৬ হাজার ২১৭ টাকা ভরি। সনাতন পদ্ধতির সোনার ভরি ২৫ হাজার ১৩৬ টাকায় দাঁড়াবে।
গত ৪ ফেব্র“য়ারি সর্বশেষ বাড়ানো হয়েছিল সোনার দাম। তখন প্রতি ভরি ২২ ক্যারেট সোনার দাম ঠিক হয় ৪৩ হাজার ৭৪০ টাকা। ২১ ক্যারেট ৪১ হাজার ৬৪০ টাকা এবং ১৮ ক্যারেটের দাম হয় ৩৪ হাজার ৯৯২ টাকা। সনাতন পদ্ধতিতে ভরির দাম দাঁড়িয়েছিল ২৩ হাজার ৯১১ টাকা।
এক সপ্তাহের মধ্যে দাম বাড়ানোর কারণ জানতে চাইলে বাজুস সাধারণ সম্পাদক এনামুল বলেন, “আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বাড়ায় স্থানীয় বাজারে তা সমন্বয় করা হচ্ছে। আজ (বৃহস্পতিবার) বাজুসের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যদের সর্বসম্মত মতামতের ভিত্তিতে দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত হয়েছে।”
চলতি বছর এনিয়ে তৃতীয়বারের মতো বাংলাদেশের বাজারে সোনার দাম বাড়ল। ফেব্র“য়ারির আগে গত ১৩ জানুয়ারিও ভরিতে ১ হাজার ২২৫ টাকা বাড়ানো হয়েছিল। অর্থাৎ চলতি বছরে দেড় মাসে দাম বাড়ল ৩ হাজার ৬৭৫ টাকা।
এর আগে গত বছরের ৫ ডিসেম্বর ভরিতে সোনার দাম এক হাজার ২২৫ টাকা কমানো হয়েছিল। তার আগে ৯ নভেম্বর সব ধরনের সোনার দাম ভরিতে এক হাজার ২২৫ টাকা করে কমিয়েছিলেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা।
গত বছরের শেষ দিকে দুই দফা দাম কমানোর আগে ১৭ অক্টোবর ভরিতে দেড় হাজার টাকা বেড়েছিল সোনার দাম।
ব্যবসায়ীরা জানান, প্রতি ভরি ২২ ক্যারেটে ৯১ দশমিক ৬ শতাংশ, ২১ ক্যারেটে ৮৭ দশমিক ৫ শতাংশ, ১৮ ক্যারেটে ৭৫ শতাংশ বিশুদ্ধ সোনা থাকে।
সনাতন পদ্ধতির সোনা পুরোনো স্বর্ণালংকার গলিয়ে তৈরি হয়। এ ক্ষেত্রে কত শতাংশ বিশুদ্ধ সোনা মিলবে, তার কোনো মানদণ্ড নেই।