
সরেজমিনে দেখা গেছে, উপজেলার নাওডাঙ্গা গ্রামের মজিবর রহমানের ছেলে শফিকুল ইসলামের পৈত্রিক সুত্রে প্রাপ্ত ৫৪ শতক জমি রয়েছে আনন্দবাজার গ্রামে। এ বছর তিনি ওই জমিতে ভুট্টা ও কলা আবাদ করেছেন।
স্থানীয়রা জানান, সোমবার সকালে শফিকুল ইসলাম শ্রমিক দিয়ে তার ক্ষেতের পাকা ভুট্টা তুলে বাড়ীতে নিয়ে যান।
তিনি বাড়িতে যাওয়ার পরেই, মৃত ইজ্জত আলীর ছেলে আব্দুল হামিদের নির্দেশে দুর্বৃত্তরা তার জমিতে রোপন করা প্রায় ছয় শতাধিক কলাগাছ কেটে সাবাড় করে।
স্থানীয় লোকজন ৯৯৯ এ ফোন করলে ফুলবাড়ী থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। পুলিশ দেখে দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়।
শফিকুল ইসলাম জানান, একই দাগে মোট ১৮৩ শতক জমি রয়েছে। যার মধ্যে ১২৯ শতক রেকর্ড হয়েছে। ওই এলাকার মৃত ইজ্জত আলীর ছেলে আব্দুল হামিদ গংদের নামে। আর ৫৪ শতক রেকর্ড হয়েছে আমার বাবার নামে। দীর্ঘ দিন থেকে আব্দুল হামিদ ও তার ভাইয়েরা জমিটি দখলের পায়তারা চালিয়ে আসছেন। যার প্রেক্ষিতে আমরা ২০২২ সালে আদালতে ১৪৪ ধারা জারীর মামলা করি। মামলা নং- এম আর ১৫২/২২(ফুলবাড়ী)। শুনানির পর বিজ্ঞ আদালত ওই জমিতে বিবাদী পক্ষের প্রবেশে স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা জারী করেন। কিন্তু আদালতের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে আজ আব্দুল হামিদ ও তার লোকজন জমিতে প্রবেশ করে ছয় শতাধিক কলাগাছ কেটে ফেলেছে। আমি এ অন্যায়ের উপযুক্ত বিচার চাই।
এ ব্যাপারে আব্দুল হামিদ বলেন, আমরা কলাগাছ কাটিনি। কে বা কাহারা কেটেছে আমি জানিনা।
ফুলবাড়ী থানার উপ- পুলিশ পরিদর্শক জাহিদুল ইসলাম জানান, ৯৯৯ থেকে ফোন পেয়ে ঘটনাস্হলে গিয়ে কলাগাছ কাটার সত্যতা পেলেও দুস্কৃতিকারী কাউকে পাওয়া যায়নি। এ ব্যাপারে অভিযোগ হলে তদন্ত সাপেক্ষ আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।