পুরস্কারের জন্য মনোনয়ন পেতে আগ্রহী সাংবাদিকদের আগামী ১৫ জুলাই বিকেল ৫টার মধ্যে সরাসরি বা ডাকযোগে প্রতিবেদন জমা দিতে হবে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, জুয়েলারিশিল্প এ দেশের ইতিহাস, ঐতিহ্য ও অর্থনীতির প্রাচীনতম অনুষঙ্গের অন্যতম। বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে এই খাতে বাংলাদেশের সম্ভাবনা দিন দিন বাড়ছে।
১. সংবাদপত্র (বাংলা) : বাংলাদেশ থেকে প্রকাশিত বাংলা সংবাদপত্রে প্রকাশিত সেরা প্রতিবেদন।
২. সংবাদপত্র (ইংরেজি) : বাংলাদেশ থেকে প্রকাশিত ইংরেজি সংবাদপত্রে প্রকাশিত সেরা প্রতিবেদন।
৪. টেলিভিশন : বাংলাদেশের যেকোনো টেলিভিশনে সম্প্রচারিত সংবাদ প্রতিবেদন।
প্রতিবেদনের বিষয় : ১. বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে দেশের জুয়েলারিশিল্পের অবস্থা, ২. স্বর্ণ নীতিমালার বাস্তবায়ন, ৩. অলংকারের মান ও ডিজাইন ৪. রপ্তানি সম্ভাবনা ও প্রতিযোগিতা সক্ষমতা, ৫. অর্থনীতিতে জুয়েলারিশিল্পের অবদান, ৬. বিনিয়োগ চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা, ৭. রাজস্ব ব্যবস্থাপনা ও নীতিগত ইস্যু, ৮. হয়রানি ও প্রতিবন্ধকতা, ৯. চোরাচালান প্রতিরোধ ইত্যাদি।
পুরস্কারের সংখ্যা : প্রতিটি ক্যাটাগরিতে তিনটি করে মোট ১২টি পুরস্কার দেওয়া হবে। দেশের প্রথিতযশা সাংবাদিকদের নিয়ে গঠিত একটি নিরপেক্ষ জুরিবোর্ড সব প্রতিবেদনের মান যাচাই করবেন। এই জুরিবোর্ডের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত। জুরিবোর্ডের মূল্যায়নের ভিত্তিতে প্রতিটি ক্যাটাগরিতে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অর্জনকারী সাংবাদিককে পুরস্কার দেওয়া হবে।
পুরস্কারের মান : প্রথম পুরস্কার (প্রতিটি ক্যাটাগরিতে একটি) : এক লাখ ৫০ হাজার টাকা মূল্যমানের স্বর্ণপদক ও সম্মাননাপত্র। দ্বিতীয় পুরস্কার (প্রতিটি ক্যাটাগরিতে একটি) : এক লাখ ২৫ হাজার টাকা মূল্যমানের স্বর্ণপদক ও সম্মাননাপত্র। তৃতীয় পুরস্কার (প্রতিটি ক্যাটাগরিতে একটি) : এক লাখ টাকা মূল্যমানের স্বর্ণপদক ও সম্মাননাপত্র।
প্রতিবেদন প্রকাশ বা প্রচারের সময়সীমা : ২০২২ সালের ১ জুলাই থেকে ২০২৩ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত প্রকাশিত বা প্রচারিত সংবাদ প্রতিবেদন ‘বাজুস মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড ২০২৩’-এর জন্য বিবেচিত হবে।
প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নিয়ম : ১. একজন সাংবাদিক শুধু একটি ক্যাটাগরিতে পুরস্কারের জন্য আবেদন করতে পারবেন। কোনো প্রতিযোগী একটির বেশি প্রতিবেদন জমা দিতে পারবেন না। তবে কোনো বিষয়ে ধারাবাহিক প্রতিবেদন প্রকাশিত বা প্রচারিত হলে সব কটি পর্ব মিলিয়ে একটি প্রতিবেদন বিবেচিত হবে।
২. সংবাদপত্র (বাংলা ও ইংরেজি উভয়) ও অনলাইন নিউজপোর্টালে প্রকাশিত প্রতিবেদনের ক্ষেত্রে প্রকাশের তারিখসহ মূল কপি এবং কম্পোজ করা এক কপি প্রতিবেদন জমা দিতে হবে। মূল কপি সংশ্লিষ্ট সংবাদপত্র ও অনলাইনের সম্পাদক/বার্তা সম্পাদক/প্রধান প্রতিবেদকের যেকোনো একজনের সত্যায়িত হতে হবে। কম্পোজ করা কপির কোথাও রিপোর্টার ও সংবাদপত্র/অনলাইনের নাম উল্লেখ করা যাবে না। এটি সত্যায়িত করারও প্রয়োজন নেই।
৩. টেলিভিশনে সম্প্রচারিত প্রতিবেদনের ক্ষেত্রে প্রচারিত রিপোর্টের সিডি কপি জমা দিতে হবে। সেই সঙ্গে সংবাদ পাঠকের পঠিত অংশসহ (লিংক) রিপোর্টের লিখিত স্ক্রিপ্ট জমা দিতে হবে। রিপোর্ট প্রচারের তারিখ উল্লেখসহ সংশ্লিষ্ট টেলিভিশনের বার্তাপ্রধান/প্রধান বার্তা সম্পাদক/প্রধান প্রতিবেদকের প্রত্যয়নপত্র জমা দিতে হবে।
৪. প্রতিবেদনের সঙ্গে প্রতিবেদকের মোবাইল ফোন নম্বর ও ই-মেইল ঠিকানাসহ সংক্ষিপ্ত জীবনবৃত্তান্ত এবং এক কপি ছবি জমা দিতে হবে।
প্রতিবেদন জমা দেওয়ার ঠিকানা : বাজুস মিডিয়া অ্যাওয়ার্ড ২০২৩, বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন— বাজুস, লেভেল-১৯, বসুন্ধরা সিটি শপিং কমপ্লেক্স, পান্থপথ, ঢাকা-১২১৫। ফোন : +৮৮০২৫৮১৫১০১২, হটলাইন: +৮৮০৯৬১২১২০২০২। ই-মেইল: [email protected], IGqemvBU: www.bajus.org