০৯আগস্ট খোলাবাজার অনলাইন ডেস্ক : মেক্সিকো সিটিস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস ‘সংগ্রাম- স্বাধীনতা, প্রেরনায় বঙ্গমাতা’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে, যথাযোগ্য মর্যাদা ও ভাবগাম্ভীর্যের মধ্য দিয়ে শহীদ জননী বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেসা মুজিবের ৯৩তম জন্মবার্ষিকী উদযাপন করেছে । দূতাবাসের সকল কর্মকর্তা/কর্মচারী ও মেক্সিকোতে বসবাসরত বাংলাদেশ কমিউনিটির সদস্যরা এই অনুষ্ঠানে যোগদান করেন ।
রাষ্ট্রদূত আবিদা ইসলাম, দূতাবাসের কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেসা মুজিবের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মধ্য দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। পরে দিবসটি উপলক্ষ্যে বাংলাদেশের মাননীয় রাষ্ট্রপতি এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বাণী পাঠ করা হয় । বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেসা মুজিবের বিদেহী আত্মার শান্তি এবং জাতির উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি ও উন্নয়ন কামনা করে বিশেষ মোনাজাত করা হয়। পরবর্তীতে তাঁর অসামান্য অবদানের কথা তুলে ধরে বাংলাদেশ হতে প্রাপ্ত বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেসা মুজিবের জন্মবার্ষিকীর ওপর নির্মিত একটি প্রামাণ্যচিত্র ‘বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিবের জীবন ও কর্ম ‘ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় হতে প্রাপ্ত ‘ বঙ্গমাতার জীবন ও অবদান’ বিষয়ক দুইটি তথ্যচিত্র প্রদর্শিত হয় ।
উন্মুক্ত আলোচনা পর্বে আলোচকগণ বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে মহীয়সী এই নারীর অসামান্য বিচক্ষণতার কথা তুলে ধরেন । পরবর্তীতে, বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত তানহা তাবাসসুম-এর পরিবেশনায় বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের ‘নারী’ কবিতাটির আবৃত্তি এক আবেগ ঘন পরিবেশের সৃষ্টি করে ।
রাষ্ট্রদূত আবিদা ইসলাম তার বক্তব্যে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেসা মুজিবের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। সেইসাথে, তিনি জাতির ক্রান্তিলগ্নে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ গঠনে বঙ্গমাতার অসামান্য অবদানের প্রতি আলোকপাত করেন। তিনি বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেসা মুজিবকে নারীর ক্ষমতায়নের রোল মডেল হিসাবে আখ্যায়িত করে আশা প্রকাশ করেন যে বঙ্গমাতার দূরদর্শিতা, বীরত্ব ও দিকনির্দেশনা বর্তমান ও ভবিষ্যত প্রজন্মকে পরার্থপরতা, সাহস ও জাতির কল্যাণে অবিচল অঙ্গীকারের পথে উজ্জীবিত করবে।