Sat. Apr 5th, 2025
Logo Signature
Agrani Bank
Rupali Bank
Advertisements

খোলা বাজার অনলাইন ডেস্ক :  পোশাকশ্রমিকদের আন্দোলনে গাজীপুরে কারখানায় হামলা, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও শ্রমিক পুড়ে মৃত্যুর ঘটনায় ১৭টি মামলা করা হয়েছে। এসব মামলার চারটির বাদী পুলিশ, বাকিগুলোর বাদী ক্ষতিগ্রস্ত কারখানা কর্তৃপক্ষ। মামলায় এজাহারনামীয় ১০৭ জন ছাড়াও অজ্ঞাতনামা ১২ হাজারের বেশি আসামি করা হয়েছে।

রবিবার গাজীপুর মহানগর পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিবি উত্তর-মিডিয়া) মোহাম্মদ ইব্রাহিম খান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

উপ পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ ইব্রাহিম খান বলেন, শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধির আন্দোলন শুরুর পর থেকে শনিবার রাত পর্যন্ত মহানগরীর বিভিন্ন কারখানায় হামলা, ভাঙচুর, গাড়িতে অগ্নিসংযোগ ও একটি কারখানায় দেওয়া আগুনে পুড়ে এক শ্রমিকের মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় নগরীর বিভিন্ন থানায় ১৭টি মামলা করা করেছে। এসব মামলায় এজাহারে নাম উল্লেখ আছে ১০৭ জনের।

সর্বশেষ মামলাটি করা হয়েছে মহানগরীর কোনাবাড়ী তুসুকা কারখানায় হামলা-ভাঙচুরের ঘটনায়। গতকাল শনিবার রাতে থানায় মামলাটি করেন কারখানার প্রশাসনিক কর্মকর্তা (অ্যাডমিন) আবু সাঈদ। মামলায় ২৪ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও ২০০ জনকে আসামি করা হয়েছে।

মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে, গত বৃহস্পতিবার দুপুরের বিরতির পর বহিরাগত প্রায় শতাধিক দুষ্কৃতকারী তুসুকা কারখানার ভেতরে কাজ চলাকালে প্রবেশ করে। পরে দুষ্কৃতকারীরা কারখানার শ্রমিকদের উসকানি দিয়ে সব কটি ফ্লোরে ব্যাপক ভাঙচুর চালায়। এ সময় কারখানার কর্মকর্তাদেরও মারধর করা হয়। এতে কয়েকজন আহত হয়েছেন। কারখানার বিভিন্ন মালামাল ভাঙচুর করায় প্রায় ৫ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। এ ছাড়া কারখানা থেকে নগদ প্রায় ৮ লাখ টাকা লুট করে নিয়ে গেছে দুষ্কৃতকারীরা।

কোনাবাড়ী থানার ওসি কে এম আশরাফ উদ্দিন বলেন, কারখানা কর্তৃপক্ষ এজাহার দিতে দেরি করায় মামলা দেরিতে রুজু করা হয়েছে। তুসুকার সামনে পুলিশের যানবাহন ভাঙচুরের মামলায় গ্রেপ্তারকৃত ২৪ জনকেও এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হবে। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।