এম. আবুল হোসেন দুলাল; গাজীপুর টংগী আরিচপুর বউ বাজার এলাকায় প্রায় ১০০ মিটারের দুরত্বে দুটি লেভেল ক্রসিং এর কোন পাশেই নেই কোন ব্যারিকেড। লেভেল ক্রসিং এর দুই পাশে এবং মধ্যবর্তী জায়গাতেও বাজারের দোকানের দখলে। এমনকি রেল আসা যাওয়ার পর পরই আবার লেভেল ক্রসিং এর উপরে বসে কিছু ভাসমান দোকান।
টংগী বাজার এবং আরিচপুর আসা যাওয়ার এই রাস্তায় প্রতিদিন শত শত অটোরিকশা এবং মানুষ চলাচল করে। কিন্তু রেল আসা যাওয়ার নেই কোন সিগনাল বা নিয়মিত নিয়ন্ত্রক, যে যেভাবে খুশি অটোরিকশা,গাড়ি,মটর সাইকেল নিয়ে আসা যাওয়া করে। এতে যে কোন সময় মারাত্মক দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারে।
এই প্রতিবেদক সেখানে কিছু সময় অপেক্ষা করে বাস্তবতা অবলোকন করেন। সেখানে দুই পাশ দিয়ে দুটি রেল আসা যাওয়ার বাস্তব দৃশ্য দেখে চমকে যান। মানুষের জীবন কত রিস্ক নিয়ে চলাচল করতে হয়। তবে কিছুক্ষণ পর মো: আব্দুল লতিফ নামে এক বৃদ্ধলোককে পাওয়া যায়, যিনি স্থানীয় দোকানীদের সহায়তায় বাশী বাজিয়ে লোকজন সতর্ক করেন, তবে তাতে তেমন মানুষ কর্ণপাত করেনা বলে তিনি অভিযোগ করেন।
আ: লতিফ রেলওয়ের বা সিটি কর্পোরেশনের বেতনভূক্ত কোন লোক নয়। রেল লাইনের সাথের দোকানীরা তাকে ১০/২০ টাকা দেয়, তাতে তার প্রতিদিন ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা আয় হয়, সেই টাকা দিয়ে তার সংসার চলে।
আ: লতিফ ও দোকানীরা দাবি করেন, আরিচপুর বউ বাজার লেভেল ক্রসিং এ দ্রুত রেলওয়ে থেকে বা সিটি কর্পোরেশনের মাধ্যমে অস্থায়ী ভিক্তিতে লেভেল ক্রসিং নিয়ন্ত্রণ না করলে যে কোন সময় মারাত্মক দুর্ঘটনা ঘটে যেতে পারে।
উল্লেখ্য, প্রতিটি লেভেল ক্রসিং এ প্রতিদিন তিন জন ওয়াচ ম্যান দ্বায়িত্ব পালন করেন। তাই সেখানে ছয় জন ওয়াচ ম্যান দরকার হলেও শুধুমাত্র আ: লতিফ দোনানীদের সহায়তায় একা দ্বায়িত্ব নিয়ে সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত কর্তব্য পালন করেন