Sat. Jul 18th, 2026

58খোলা বাজার২৪ : শুক্রবার, ২৮ আগস্ট ২০১৫

আমাদের মাঝে কেউ কেউ এমন রয়েছি যাদের সকালে এক কাপ চা না হলে মনে হয় যেন দিনের শুরুই হয়নি। চা, কফি ও বিভিন্ন ক্যাফেইন এর প্রতি আমাদের অনেক বেশি আকর্ষণ থাকে। কিন্তু এই চায়ের মাঝে কত ধরণের যে উপাদান মেশানো যায় তা হয়ত আমাদের ধারণার বাহিরে। চায়ের দামও অনেক বেশী কিছু নয়। তবে পৃথিবীতে এমন কিছু চা রয়েছে, যার দাম শুনলে আপনারও চোখ কপালে উঠে যাবে। এখানে পৃথিবীর সবচেয়ে দামি চা-গুলোর বর্ণনা দেয়া হল-

১. টিয়াঞ্চি ফুলের চা:
চায়নায় উৎপন্ন হওয়া টিয়াঞ্চি ফুলের চা সারা বিশ্বব্যাপী সরবরাহ করা হয়। এটি শুধু চায়নাতে নয়, সারাবিশ্বে অনেক বেশী জনপ্রিয়। এটি অত্যন্ত স্বাস্থ্যকর একটি চা এবং এর ঔষধি গুণের জন্য এর জনপ্রিয়তা রয়েছে। এটি শক্তিশালী এলার্জিজনিত রোগ ও ঘুমের সমস্যা দূর করে। এটি আরও বিভিন্ন রোগ থেকে মুক্তি দিতে পারে। প্রতি কেজি টিয়াঞ্চি ফুলের চা ১৭০ ডলারে বিক্রি করা হয়।
২. গিওকুরো:
এটি এক ধরণের সবুজ চা যা সেঞ্চা নামে স্থানীয়ভাবে পরিচিত। গিওকুরোর একটি বহিরাগত বৈচিত্র্য হল এটি একটি সুন্দর জেড ছোপ উৎপন্ন করে, যা তার নামের মতই সুন্দর। জাপানের উজি জেলায় সাধারণত এই চা চাষ করা হয়। এই চায়ের ফসল ফলানোর জন্য ২ থেকে ৩ সপ্তাহ সময় লাগে। আকর্ষণীয় গন্ধ সমৃদ্ধ এই চা প্রতি কেজিতে ৬৫০ ডলার দামে বিক্রয় করা হয়।
৩. পুপু পু-ইর চা:
চীনের ইউনান প্রদেশ থেকে পুপু পু-ইর চায়ের উৎপত্তি হয়েছে এবং চা সংগ্রহকারীরা অতি সাবধানতার সাথে পোকামাকড়ের মল অন্তর্ভুক্ত এই চা সংগ্রহ করেন। ধারণাটি সম্পূর্ণরূপে অদ্ভুত শোনা গেলেও এই কালো চা তার নিরাময় বৈশিষ্ট্যের জন্য বিখ্যাত। প্রতি কেজি পুপু পু-ইর চায়ের মূল্য ১০০০ ডলার।
৪. সিলভার টিপস ইম্পেরিয়াল চা:
সাধারণত দার্জিলিং এর উৎপাদিত সবচেয়ে ব্যয়বহুল চা হল সিলভার টিপস ইম্পেরিয়াল চা। এর প্রতি কেজি চা ৪০০ ডলার মূল্যে বিক্রি করা হয়। এটি পশ্চিম বঙ্গের দার্জিলিং এর মাকাইবারি এস্টেটে চাষ করা হয়। এটি বিশ্বের দামী চা গুলোর মধ্যে অন্যতম। ২০১৪ সালে জাপান, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রে এই চা ১৮৫০ ডলার কেজিতে রপ্তানি করা হয়। এই চা বর্তমানে লন্ডনের বিভিন্ন স্থানে রপ্তানি করা হয়।
৫. টাইগুয়ানিন:
চীনের একটি দেবতার নামে এই চায়ের নামকরণ করা হয়। এর সাথে টাইগুয়ানিনদের দুই কিংবদন্তী জড়িত আছে। এই চায়ের উৎপত্তি নিয়ে দুই ধরণের গল্প রয়েছে। তবে এই চা প্রতি কেজিতে ৩০০০ ডলার মূল্যে বিক্রয় করা হয়।
সূত্র: ফুডোফি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *