ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন শেষ হতেই পুলিশের শীর্ষ পর্যায়ে পরিবর্তনের জোর গুঞ্জন শুরু হয়েছে। গত রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) আইজিপি বাহারুল আলম পদত্যাগ পত্র জমা দিয়েছেন- এমন আলোচনা ছড়িয়ে পড়লে বাংলাদেশ পুলিশের নেতৃত্বে সম্ভাব্য রদবদল নিয়ে জল্পনা-কল্পনা আরও ঘনীভূত হয়েছে।
পুলিশের দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা মনে করছেনে- পুরোনো কাউকে না দিয়ে পুলিশের ক্লিন ইমেজের নতুন কাউকে দায়িত্ব দেওয়া হলে পুলিশ বাহিনীটির সব কাজে গতিশীলতা বাড়বে।
পুলিশের দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে, নতুন আইজিপির তালিকায় রয়েছেন ক্লিন ইমেজের ১২তম ব্যাচের এক মাত্র কর্মকর্তা হাইওয়ে পুলিশের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক (অতিরিক্ত আইজিপি) দেলোয়ার হোসেন মিঞা। তিনিই পারবেন ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট এর ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে পরে পুলিশবিহীনির প্রশাসনের যে চেইন অব কমান্ড ভেঙে পড়েছে তা ফিরিয়ে আনতে।
আইজিপির আলোচনায় আরও রয়েছেন, পুলিশের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থার সমন্বয়ক (কো-অর্ডিনেটর, গ্রেড-১) আনসার উদ্দিন খান পাঠান। এ ছাড়া, ডিআইজি ড. নাজমুল করিম খান ও ডিআইজি আক্কাছ উদ্দিন ভুইয়ার নামও আলোচনায় রয়েছে।
তবে আইজিপি হিসাবে ক্লিন ইমেজের ১২তম ব্যাচের কর্মকর্তা হাইওয়ে পুলিশের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক (অতিরিক্ত আইজিপি) দেলোয়ার হোসেন মিঞার নাম-ই বেশি শোনা যাচ্ছে।
আইজিপির নিয়োগ নিয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, নতুন সরকার গঠন হয়েছে নতুন আইজিপি নিয়ে সিদ্ধান্ত আসবে। যেহেতু বর্তমান আইজিপি চুক্তিভিত্তিক নিয়োগে এসেছেন, সেহেতু তার নিয়োগ যেকোনো সময় বাতিল হতে পারে।
অন্যদিকে ডিএমপি কমিশনার শেখ সাজ্জাত আলীরও চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ হওয়ায় এই পদেও শিগগিরই পরিবর্তন আসতে যাচ্ছে। চৌকশ কর্মকর্তা যারা আছেন তাদের মধ্য থেকে এই পদে খুব তাড়াতাড়ি নিয়োগ হবে বলে আশা করছে পুলিশ সদর দফতর। এক্ষেত্রে বর্তমান অতিরিক্ত কমিশনার (ট্রাফিক) আনিছুর রহমান নিয়োগ পেতে পারেন। তার পরেই আলোচনায় নাম রয়েছে ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (অ্যাডমিন) মো. সরওয়ার হোসেনের। এ ছাড়া, সরকার চাইলে ঢাকার বাইরে থেকে এনেও কাউকে ডিএমপি কমিশনার করা হতে পারে বলে জানা গেছে।

