খোলা বাজার২৪ ॥ মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর ২০১৫:
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানিয়েছে বিএনপি। মঙ্গলবার সন্ধ্যা সোয়া ৬টার দিকে বিএনপি মুখপাত্র ড. আসাদুজ্জামান রিপন এ দাবি জানান।সরকার মির্জা ফখরুলকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিচ্ছে। তার স্বাস্থ্যের কথা বিবেচনা করে তাকে জামিন দেয়া উচিত ছিল কিন্তু সরকার তা করেনি বলে অভিযোগ করেন বিএনপি মুখপাত্র।রিপন বলেন, মির্জা ফখরুল নিন্ম আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করেছেন কিন্তু আদালত আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠিয়েছেন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ। যুক্তরাষ্ট্র ও সিঙ্গাপুরে ইতিমধ্যেই কয়েকদফা চিকিৎসা নিয়েছেন। এধরণের পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্য আরো শঙ্কিত হলে সরকারকে দেশবাসী দায়ী করবেন।তিনি বলেন, মির্জা ফখরুল আইন মান্যকারী নাগরিক হিসেবে আদালতে হাজির হয়ে জামিন প্রার্থনা করেছিলেন। কিন্তু জামিন বাতিল করে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।রাজনীতিতে মির্জা ফখরুল সৎজন মানুষ হিসেবে পরিচিত উল্লেখ করে বিএনপির এই মুখপাত্র বলেন, প্রত্যাশা করেছিলাম স্বাস্থ্যের কথা বিবেচনা করে তিনি জামিন লাভ করবেন। আশা করি স্বাস্থ্য ঝুঁকির কথা বিবেচনা করে সুস্থভাবে বাঁচার সুযোগ দেবেন। মানবিক জায়গা থেকে দ্রুত মির্জা ফখরুলকে মুক্তি দেবেন।রিপন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, বাংলাদেশে রাজনীতির নামে অপরাজনীতি চলছে। সরকার শক্র শক্র খেলায় লিপ্ত। অকারণে বিরোধীদলের নেতকর্মীদেরকে শক্র ভাবছেন। তিলে তিলে শেষ করে দেবেন এটা অমানবিক। সেই পথ থেকে সরে আসার আহ্বান জানাই।তিনি বলেন, মির্জা ফখরুল ছাড়াও বিএনপি শীর্ষ পর্যায়ের নেতা এম কে আনোয়ার, রফিকুল ইসলাম মিয়া, অধ্যাপক আবদুল মান্নানের ও রুহুল কবির রিজভী আহমেদসহ বিএনপির অনেক নেতার বিরুদ্ধে মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা দেয়া হয়েছে। মামলায় জর্জরিত নেতাদেরকে মুক্তি দিয়ে কারারুদ্ধ সব নেতাকর্মীর মুক্তি দাবি করেন তিনি।সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির সহ-দফতর সম্পাদক আবদুল লতিফ জনি, আসাদুলক করিম শাহীন, শামীমুর রহমান শামীম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানিয়েছে বিএনপি। মঙ্গলবার সন্ধ্যা সোয়া ৬টার দিকে বিএনপি মুখপাত্র ড. আসাদুজ্জামান রিপন এ দাবি জানান।সরকার মির্জা ফখরুলকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দিচ্ছে। তার স্বাস্থ্যের কথা বিবেচনা করে তাকে জামিন দেয়া উচিত ছিল কিন্তু সরকার তা করেনি বলে অভিযোগ করেন বিএনপি মুখপাত্র।রিপন বলেন, মির্জা ফখরুল নিন্ম আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করেছেন কিন্তু আদালত আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠিয়েছেন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ। যুক্তরাষ্ট্র ও সিঙ্গাপুরে ইতিমধ্যেই কয়েকদফা চিকিৎসা নিয়েছেন। এধরণের পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্য আরো শঙ্কিত হলে সরকারকে দেশবাসী দায়ী করবেন।তিনি বলেন, মির্জা ফখরুল আইন মান্যকারী নাগরিক হিসেবে আদালতে হাজির হয়ে জামিন প্রার্থনা করেছিলেন। কিন্তু জামিন বাতিল করে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।রাজনীতিতে মির্জা ফখরুল সৎজন মানুষ হিসেবে পরিচিত উল্লেখ করে বিএনপির এই মুখপাত্র বলেন, প্রত্যাশা করেছিলাম স্বাস্থ্যের কথা বিবেচনা করে তিনি জামিন লাভ করবেন। আশা করি স্বাস্থ্য ঝুঁকির কথা বিবেচনা করে সুস্থভাবে বাঁচার সুযোগ দেবেন। মানবিক জায়গা থেকে দ্রুত মির্জা ফখরুলকে মুক্তি দেবেন।রিপন ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, বাংলাদেশে রাজনীতির নামে অপরাজনীতি চলছে। সরকার শক্র শক্র খেলায় লিপ্ত। অকারণে বিরোধীদলের নেতকর্মীদেরকে শক্র ভাবছেন। তিলে তিলে শেষ করে দেবেন এটা অমানবিক। সেই পথ থেকে সরে আসার আহ্বান জানাই।তিনি বলেন, মির্জা ফখরুল ছাড়াও বিএনপি শীর্ষ পর্যায়ের নেতা এম কে আনোয়ার, রফিকুল ইসলাম মিয়া, অধ্যাপক আবদুল মান্নানের ও রুহুল কবির রিজভী আহমেদসহ বিএনপির অনেক নেতার বিরুদ্ধে মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা দেয়া হয়েছে। মামলায় জর্জরিত নেতাদেরকে মুক্তি দিয়ে কারারুদ্ধ সব নেতাকর্মীর মুক্তি দাবি করেন তিনি।সংবাদ সম্মেলনে বিএনপির সহ-দফতর সম্পাদক আবদুল লতিফ জনি, আসাদুলক করিম শাহীন, শামীমুর রহমান শামীম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
