Mon. Jun 15th, 2026

Pic 7-12-15 (1) (1)খোলা বাজার২৪, সোমবার, ৭ ডিসেম্বর ২০১৫ :দেশের সংকটের চিত্র তুলে নেতৃবৃন্দ বলেছেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের আকাঙ্খা বাস্তবায়নের জন্য মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানীর আদর্শেও ভিত্তিতে জনগণের শক্তি হিসেবে প্রগতিশীল গণতান্ত্রিক শক্তির বৃহত্তর ঐক্য গড়ে তুলতে হবে। আধিপত্যবাদী ও সা¤্রাজ্যবাদ বিরোধী আন্দোলনকে আরো গতিশীল করতে হবে।

আজ সোমবার সকালে নয়াপল্টনস্থ যাদু মিয়া মিলনায়তনে ভাসানী সাহিত্য-সাংস্কৃতিক পরিষদের ৩য় প্রতিষ্ঠা উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় পরিষদ আহ্বায়ক মতিয়ারা চৌধুরী মিনু‘র সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন ন্যাপ মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া, আলোচনায় অংশ গ্রহন করেন ন্যাপ যুগ্ম মহাসচিব স্বপন কুমার সাহা, নগর আহ্বায়ক সৈয়দ শাহজাহান সাজু, সদস্য সচিব মোঃ শহীদুননবী ডাবলু, জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক দলের সাধারণ সম্পাদক মোঃ হুমায়ূন কবির বেপারী, পরিষদ সদস্য সচিব সোলায়মান সোহেল, যুগ্ম আহ্বায়ক এম.এ. মুক্তাদীর, সাবরিনা সুলতানা, মোঃ আবদুল্লাহ আল-কাউছারী প্রমুখ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া বলেছেন, স্বাধীনতার ৪৪ বছরেও সার্বভৌম গণতান্ত্রিক পরিবেশ পাইনি। মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনার আলোকে একটি গণতান্ত্রিক সংবিধান ও সে আলোকে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র গড়ে উঠবার যে স্বপ্ন ছিল, তা এখনও বাস্তবায়িত হয়নি। আমাদের সেই রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার সংগ্রাম চালিয়ে যেতে হবে। আর সেই সংগ্রামে মওলানা ভাসানী আমাদের প্রেরনার উৎস। তিনি বলেছেন, একটা দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা করতে সবচাইতে বড় প্রয়োজন জাতীয় ঐক্য। আর এই জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠার জন্য প্রয়োজন হয় গণতান্ত্রিক পরিবেশ। বর্তমান সরকার সেই পরিবেশ নষ্ট করেছে। মুক্তিযুদ্ধে আমাদের একমাত্র শ্লোগান ছিল এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম। আজকে আমাদের আন্দোলনের ম্লোগান হতে হবে; এবারের সংগ্রাম গণতন্ত্রের সংগ্রাম। তিনি আরো বলেছেন, আমাদের রাষ্ট্রে ও সমাজে গণতন্ত্রের প্রসব বেদনা শুরু হয়েছে, প্রয়োজন ধাত্রীর। সঠিক সময়ে জনগণের ধাত্রী হলে বেশিদিন টিকতে পারবে না আধিপত্যবাদ আর সাম্রাজ্যবাদের সহায়ক মহাজোট সরকার।
সভাপতির বক্তব্যে মতিয়ারা চৌধুরী মিনু বলেছেন, গণতন্ত্র ফিরে না আসা পর্যন্ত জঙ্গিবাদের উত্থান রোধ করা সম্ভব হবে না। বাংলাদেশ বারবার উগ্রবাদের শিকার হচ্ছে। এটা গণতন্ত্রের জন্য অশনি সংকেত। এদের কঠোরভাবে দমন করতে না পারলে বাংলাদেশ এক সময় সিরিয়া, আফগানিস্তানের মত ভয়াবহ পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে পারে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *