Thu. Jun 4th, 2026

খােলা বাজার২৪। বৃহস্পতিবার, ২ নভেম্বর, ২০১৭: এখনো বন্ধ হয়নি রোহিঙ্গাদের অনুপ্রবেশ। কক্সবাজারের উখিয়ার বিভিন্ন স্থান দিয়ে আজ আরো আড়াই হাজার রোহিঙ্গা বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করেছে বলে জানিয়েছে বিজিবি। আরো ৮ হাজার রোহিঙ্গা নো ম্যান্স ল্যান্ডে অবস্থান করছে।

কক্সবাজার উখিয়ার আঞ্জুমানপাড়ার সীমান্তে দিয়ে ১৬ দিনের ব্যবধানে আবারো বড় আকারে রোহিঙ্গা প্রবেশের ঘটনা ঘটেছে। ভোর রাত থেকে বিভিন্ন স্থান থেকে রোহিঙ্গারা নো ম্যান্স ল্যান্ডে অবস্থান নেয়। তারা বাংলাদেশে অবস্থান নেওয়ার চেষ্টা করলে বিজিবি সদস্যরা তাদেরকে বাধা দেন। নো ম্যান্স ল্যান্ডে অবস্থান নেওয়া রোহিঙ্গাদের দাবি মিয়ানমারে তাদের উপর অমানুষিক নির্যাতন চালানো হচ্ছে। হত্যা, গুমের পাশাপাশি আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে ঘর-বাড়ি।

এমনকি বাসা-বাড়ি থেকে বের হলে আটকে রেখে মুক্তিপণ চাওয়া হচ্ছে। এমটিসি কার্ড নেওয়ার জন্যও তাদেরকে বাধ্য করা হচ্ছে।

নো ম্যান্স ল্যান্ডে আশ্রয় নেওয়া এক রোহিঙ্গা জানান, ১০ দিন ধরে হেটে এসেছি। মিলিটারিরা পেলেই মেরে ফেলে, সব লুট করে নিয়ে যায়।

এক রোহিঙ্গা নারী জানান, মেয়েদের পেলে ওরা অত্যাচার করে মেরে ফেলে। তাই ভয়ে চলে এসেছি। বাজারে গেলে ধরে মারামারি করে,টাকা পয়সা সব নিয়ে যায়। মানুষসহ ঘর পুড়িয়ে দিচ্ছে বর্মী বাহিনী। আমার সবকিছু পুড়িয়ে দিয়েছে। বাইরে বের হলেই ধরে নিয়ে পুড়িয়ে মারছে। বাজারে যেতে পারিনা।, খাদ্যসংকটে প্রাণ নিয়ে সন্তানসহ পালিয় এসেছি।

বাংলাদেশ বর্ডার গার্ড (বিজিবি) জানান, অনুপ্রবেশকারী রোহিঙ্গাদের ব্যাপারে কোন সিদ্ধান্ত হয়নি। এই ব্যাপারে সিন্ধান্ত পাওয়ার পর তাদেরকে প্রেরত পাঠানো হবে, না বাংলাদেশে ঢুকতে দেওয়া হবে।

এই ব্যাপারে বিজিবি- ৩৪ উপ-অধিনায়ক মেজর ইকবাল জানান, আমাদের কিছু পলিসি আছে, যেমন তাদের নিরাপত্তার কারণে তাদেরকে চেক করা হয়। এবং ত্রিপল আরসিকে জানিয়েছে তাদের আসার বিষয়টি। তারা বিষয়টিকে ভাবছে, তাদেরকে কোথায় রাখা হবে। এই বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা শেষ হলে হলে, আমরা দ্রুতই তাদেরকে আমরা ভিতরে নিয়ে যাবো।

এরআগে গত ১৬ অক্টোবর একই ভাবে রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশের ঘটনা ঘটেছিলো আঞ্জুমানপাড়ার সীমান্ত দিয়ে।
image-id-668321
‘রাজাকার-দোসর বর্জনে এগিয়ে আসুক গণমাধ্যম’
image-id-668318
অস্ট্রেলিয়া গেলেন বাণিজ্যমন্ত্রী
image-id-668315
‘বাংলাদেশ সেনাবাহিনী আন্তর্জাতিক অঙ্গনে পরিচিতি অর্জন করেছে’
image-id-668312
সরকারকে সমঝোতায়

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *