Sun. Jul 19th, 2026

চট্রগ্রাম প্রতিনিধি: সন্ত্রাস মাদক মুক্ত ,নিরাপদ , ঐক্য , শান্তিময়, উন্নয়ন- সমৃদ্ধি অদম্য গ্রীন বাসযোগ্য মডেল চট্টগ্রাম- ১৫ (লোহাগাড়া -সাতকানিয়া) এলাকা গড়ার প্রত্যয়ে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে চট্টগ্রাম- ১৫ ( লোহাগাড়া- সাতকানিয়া)
আসনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল – বিএনপি থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশীদের মধ্যে এগিয়ে নাদিম চৌধুরী ।
তিনি চট্টগ্রাম লোহাগাড়া থানার ঐতিহ্যবাহী কলাউজানের মফিজুর রহমান মুন্সী – “ নাদিম চৌধুরী বাড়ি “ র মুসলিম ঐতিহ্যবাহী পরিবারে জন্ম ।
তিনি ঢাকা কলেজে পড়াশুনাকালে তাহার ছাত্রদলের (একটি হলের নর্থ হোস্টেল দায়িত্বের মাধ্যমে) রাজনৈতিক জীবন শুরু ‌। তখন তিনি স্বৈরাচার এরশাদ বিরোধী আন্দোলনে সক্রীয় ভূমিকা পালন করেন ।
পরবর্তীতে তাহার প্রিয় নেতা আবুল খায়ের ভূঁইয়া ও নাসির উদ্দিন আহমেদ পিন্টুর নেতৃত্বে বৃহত্তর ঢাকা মহানগরে ও সিদ্ধেশ্বরী ডিগ্রী কলেজে ছাত্রদলের কলের শাখার সিনিয়র সহ -সভাপতি দায়িত্বের মাধ্যমে পুরোপুরি সক্রীয় ছাত্র রাজনীতি শুরু করেন। পরবর্তীতে তিনি রাজধানী ঢাকায় প্রাণকেন্দ্র রমনা থানা বর্তমান ১৯ নং ওয়ার্ড (সাবেক ৫৩) ছাত্রদলের আহ্বায়ক পরে সভাপতি হিসেবে – ছাত্রদলের পর- রমনা থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের সভাপতি, বৃহত্তর ঢাকা মহানগর সহ-সভাপতি ও রমনা থানা সাবেক ৫৩ বিএনপি দপ্তর সম্পাদক, সাধারণ সম্পাদক এবং ভারপ্রাপ্ত সভাপতি র দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৯৬ থেকে ২০০১ এই সময়ে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আহ্বানে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের স্বৈরাচারী কর্মকান্ডের বিরুদ্ধে রমনা থান বিএনপি’র (সাবেক ৫৩) সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে থাকাকালে সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মরহুম আব্দুল মতিন চৌধুরী, সাবেক সফল মেয়র- মন্ত্রী বর্তমান বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির অন্যতম প্রভাবশালী সদস্য মির্জা আব্বাস, মরহুম জননেতা বীর মুক্তিযোয়া শাজাহান সিরাজ, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন, রমনা থানা এলাকার সাবেক জনপ্রিয় কমিশনার বিএনপির সভাপতি আরিফুল ইসলাম ও পাশে ওয়ার্ডের কমিশনার সাজ্জাদ জহির ভাইয়ের র্নেতৃত্বে আন্দোলনে তিনি সক্রীয় বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখেন।
পরবর্তীতে রাজধানী ঢাকার প্রাণকেন্দ্র সাবেক সংসদীয় এলাকা ঢাকা- ১০ এর সংসদ সদস্যের একটি বড় কোম্পানিতে চাকুরি করা কালে ও তাহার রাজনৈতিক সচিব এর দায়িত্ব পালনকালে এবং মন্ত্রী পাড়া ও সচিব পাড়া রমনা থানা এলাকায় দীর্ঘ ৪০ বছর যাবত বসবাস করা কালে এবং সচিব ও সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে অতি ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক থাকার ও তৎকালীন এলজিইডি নির্বাহী প্রকৌশলী রফিক উদ্দীনের সহায়তা র – এই কারণে সাবেক চট্টগ্রাম-১৪ বর্তমান চট্টগ্রাম- ১৫ ( লোহাগাড়া -সাতকানিয়া) এলাকার রাস্তাঘাট স্কুল কলেজ মাদ্রাসা মক্তব, মন্দির সহ এবং তিনি অত্র এলাকার ব্যাপক উন্নয়ন ও সমৃদ্ধিতে অবদান রাখেন ।

তিনি বর্তমানে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মৎস্যজীবী দলের চট্টগ্রাম বিভাগের আহবায়ক, কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক ও সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক এবং সভাপতি পদপ্রার্থী। মোহামেডান স্পোর্টিং ফ্যান ক্লাবের বর্তমান সভাপতি, বেঙ্গল হিউম্যান রাইটস ইন্টারন্যাশনাল( BHRI ) মানবাধিকার সংগঠনের ভাইস-চেয়ারম্যান , ভাসানী স্মৃতি ফাউন্ডেশন এর প্রধান নির্বাহী ও সভাপতি, ভাসানী স্মৃতি সংসদ’ র সিনিয়র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, চট্টগ্রাম সমিতি, ঢাকা -লোহাগাড়া সাতকানিয়া ,সমিতি ঢাকার জীবন সদস্য, লোহাগাড়া থানা বিএনপির সাবেক সহ-সভাপতি, বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী দেশ সেরা বিদ্যালয় সিদ্ধেশ্বরী উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের সাবেক পরিচালনা পর্ষদের ,ভাইস -চেয়ারম্যান। এ বিদ্যালয় পর্ষদে দায়িত্বে থাকা কালে দেশের সবচেয়ে ঐতিহ্যবাহী শ্রেষ্ঠ বিদ্যাপীঠ ভিকারুননিসা নুন স্কুল এন্ড কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ মিসেস হামিদা আলীকে উক্ত বিদ্যালয়ের উপদেষ্টা করে সিদ্ধেশ্বরী উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের হারানোর ঐতিহ্য ও গৌরব ফিরিয়ে আনার অগ্রণী বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখেন। এ ছাড়া বেইলি রোড সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সাবেক সভাপতি এবংরমনা থানা এলাকার তথা ১৯ নং ওয়ার্ডের উক্ত বিদ্যালয়টি একমাত্র সরকারি বিদ্যালয় – বাংলাদেশ গার্ল গাইড কর্তৃপক্ষ কর্তৃক বিদ্যালয়টি উচ্ছেদের বিরুদ্ধে তিনি সারাদেশে আলোড়ন সৃষ্টিকারী আন্দোলন গড়ে তোলেন বিগত বিএনপি নিজ সরকারের বিরুদ্ধে । পরবর্তীতে এ আন্দোলন হাসিনা সরকারের আমলে দুর্বার গণআন্দোলনে রূপ নেয় – তাহার নেতৃত্বে, এতে রাজনৈতিক দল, সুশীল সমাজ, বাম ধরার রাজনৈতিক গুণ অংশগ্রহণ করেন- তিনি গড়ে তুলেন এক প্রতিবাদী সংগঠন “ বিদ্যালয়ে রক্ষা জাতীয় কমিটি ‌‌” এর সভাপতি ছিলেন তিনি এবং ডঃ কামাল হোসেন, অধ্যাপক আব্দুল্লাহ আবু সাঈদ, রাশেদা কে চৌধুরী, ডক্টর হোসেন জিল্লসহ এরকম দেশের বিখ্যাত শিক্ষাবিদ বুদ্ধিজীবী ও সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দদের নিয়ে ১০১ সদস্য বিশিষ্ট উপদেষ্টা কমিটি গঠন করেন। পড়ে তিনি ডঃ কামাল হোসেনের নেতৃত্বে ও সহযোগিতায় মহামান্য হাইকোর্ট ও সুপ্রিম কোর্টে একটি রিট মামলা দায়ের করে এবং বাংলাদেশের সকল ইলেক্ট্রনিক্স ও নিউজ মিডিয়ার সহায়তার মাধ্যমে বিশেষ করে প্রথম আলো , চ্যানেল আই, বাংলাভিশন, এনটিভি, দেশ টিভি, ইনকিলাব, নয়া দিগন্ত সহ ইত্যাদি মিডিয়ার আন্তরিক সহযোগিতায় বিদ্যালয়ের সরকারি ১৯৭২ সালে বরাদ্দ দেওয়া সম্পত্তিটি ফিরে পাই- যা আজ ছয় তলা ভবন – আলহামদুলিল্লাহ। এর পিছনে সবচেয়ে বেশি অবদান আপসিং চির সংগ্রামী জনপ্রিয় জননেতা নাদিম চৌধুরীর। তিনি মাওলানা ভাসানী ও যাদু মিয়ার একনিষ্ঠ অনুসারী, সামাজিক ও মানবা ধিকার কর্মী এবং রাজনৈতিক ভাবে সম্পৃক্ত হলেও ব্যক্তি জীবনে- – তিনি একজন ব্যবসায়ী ও সাবেক শিল্প উদ্যোক্তা এবং আপোসহীন জাতীয়তাবাদী মধ্যপন্থী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব।
তিনি বিগত ১৭ বছর একটানা দলীয় সকল আন্দোলন কর্মসূচিতে সদা সক্রীয় থেকে বিগত ফ্যাসিবাদী সরকার হাসিনা সরকারের আমলে নিজ গ্রাম কলাউজান বাজার, ঢাকা রমনা এলাকা, পল্টন বিএনপি অফিস এলাকাও বকশিবাজার আমাদের মা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কাঙ্গারুকোটে আসা যাওয়ার পথে সহ ১৪-১৫ বার গ্রেফতার হন ও প্রায়ই ৬ বছরের বেশি কারা নির্যাতন ভোগ করেন এবং অসংখ্য মিথ্যা রাজনৈতিক মামলার শিকার হন। তিনি তাহার দীর্ঘ প্রায় ৪০ বছর রাজনৈতিক জীবনে দেশের নানা সংকটে সংগ্রামে সব সময় সম্মুখ সারীতে ছিলেন – থাকেন । তিনি বৃহত্তর চট্টগ্রামের জনগণের প্রাণের দাবী ছিল ৩য় কর্ণফুলী সেতু বাস্তবায়ন সংগ্রাম পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা সাবেক সভাপতি। কক্সবাজার – দোহাজারী ট্রেন লাইন বাস্তবায়ন কমিটির ও চুনতি ট্রেন স্টেশন বাস্তবায়ন কমিটির অন্যতম উপদেষ্টা (বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি ছিলেন সাবেক সেনা কর্মকর্তা লোহাগাড়া কৃতি সন্তান মরহুম জয়নাল আবেদীন বাচ্চু এর বড় ভাই সভাপতি ও তাহার শীর্ষ চুনতির আজিজ সাধারণ সম্পাদক)- যা তৎকালীন রেলওয়ের মহাপরিচালক কাছে তিনি ও লোহাগাড়া চুনতির আজিজ তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী সামরিক সচিব বাচ্চু ভাইয়ের সরকারের দেওয়া চিঠি তিনি সহ হস্তান্তর করেন নেপথ্য থেকে চট্টগ্রাম ১৫ এলাকায় ব্যাপক উন্নয়নের সহায়তা করেন তিনি।
বর্তমান চট্টগ্রাম – কক্সবাজার ৬ লাইন আন্দোলন কমিটির সভাপতি ফরিদ উদ্দিন খান ও সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন মিজান নেতৃত্বে আন্দোলন কমিটির উপদেষ্টা তিনি।
এরকম তাহার দীর্ঘ বর্ণাঢ্য জীবনে অনেক ত্যাগ- তিতিক্ষা ও সংগ্রাম এবং পরিশ্রমের মাধ্যমে তিনি আজ এ পর্যায়ে এসেছেন- শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান (বীর উত্তম) র গড়া দল বিএনপি ও এর চেয়ারম্যান দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এবং ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রতি শতভাগ অনুগত্যে থেকে সকলের ভালোবাসা, সহযোগিতা ও সৌহার্দ্য- সম্প্রীতি এবং ঐক্যের মাধ্যমে সকলের আস্থা -বিশ্বাস অর্জন করে দীর্ঘ ৪০ বছর একটানা এলাকার জনগণের সেবক, শ্রমজীবী কৃষক শ্রমিকের সেবক, উন্নয়ন ও সমৃদ্ধি প্রত্যয়ী একনিষ্ঠ কর্মী হয়ে চট্টগ্রাম ১৫ – (লোহাগড়া- সাতকানিয়া) তথা চট্টগ্রাম বিভাগ এবং রাজধানী ঢাকার রমনা থানা এলাকার দলীয় নেতাকর্মীসকলকে সাথে করে বিএনপি অন্যতম পেশাজীবী অঙ্গ সংগঠন ” বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মৎস্যজীবী দল “ এর সারা বাংলাদেশের লক্ষ লক্ষ ত্যাগী, নির্যাতিত- নিপীড়িত প্রায় এক কোটি সক্রীয় মৎস্যজীবী দলের নেতা-কর্মীদের সাথে করে তিলে তিলে তিনি আজ এ পর্যায়ে এসেছেন।
তাই তাকেই চট্টগ্রাম ১৫ (লোহাগাড়া- সাতকানিয়া) এলাকাবাসী /জনগণ দীর্ঘ অভিজ্ঞতা সম্পন্ন ,সিনিয়র রাজনীতিবিদ, সাবেক সফল ছাত্রনেতা, বারবার কারা নির্যাতিত, বিশিষ্ট সমাজসেবক, শিক্ষা অনুরাগী ও সফল সংগঠক এবং মানবাধিকার কর্মীকে
“ মাদক সন্ত্রাসমুক্ত নিরাপদ , ঐক্য, শান্তিময়, আলোকিত , উন্নয়ন -প্রবৃদ্ধি – সমৃদ্ধি’র অদম্য আধুনিক মডেল চট্টগ্রাম -১৫ (লোহাগাড়ায় -সাতকানিয়া) গড়ার লক্ষ্যে / প্রত্যয়ে.. তাঁরা তাদের অভিভাবক – সেবক হিসেবে জনপ্রিয় জননেতা নাদিম চৌধুরী- কে চট্টগ্রাম – ১৫ (লোহাগাড়া-সাতকানিয়া) আসনে বিএনপি থেকে মনোনয়ন প্রত্যাশী এবং আহ্বায়ক, চট্টগ্রাম বিভাগ, সাবেক ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক ও সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক – বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মৎস্যজীবী দল ও সাবেক সহ-সভাপতি লোহাগাড়া থানা- চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা- বিএনপি-কে এমপি হিসাবে পেতে চায়।