নিউজ ডেস্ক: পুলিশের বাধায় গাজীপুর জেলা বিএনপির ইফতার মাহফিল পণ্ড হওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ সময় পুলিশের লাঠির
আঘাতে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছে।
অভিযোগ অস্বীকার করে জয়দেবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রেজাউল করিম রেজা দাবি করেন, এ ব্যাপারে তিনি কিছুই জানেন না।
এদিকে ইফতার মাহফিল পণ্ড করে দেওয়ার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন গাজীপুর জেলা বিএনপির সভাপতি এ কে এম ফজলুল হক মিলন ও সাধারণ সম্পাদক কাজী সায়েদুল আলম বাবুল।
বিএনপির নেতা-কর্মীরা জানান, গাজীপুর জেলা বিএনপির পূর্ব নির্ধারিত ইফতার মাহফিল আজ সোমবার বোর্ড বাজারে ফখরুদ্দীন কনভেনশন সেন্টারে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। দুপুরে ইফতার মাহফিলের খাবার প্রস্তুত শুরু করলে পুলিশ এসে বাধা দেয়। সেখানে উপস্থিত কয়েকজন বিএনপিকর্মী, বাবুর্চি ও ডেকোরেটরের কর্মীদের লাঠিপেটা করে তাড়িয়ে দেয়। পুলিশ সেন্টারের সাজানো চেয়ার নিচে ফেলে দেয়। এতে বিএনপির পূর্ব নির্ধারিত ইফতার মাহফিল পণ্ড হয়ে যায়।
ফখরুদ্দীন কনভেনশন সেন্টারের ডেকোরেটরকর্মী ওহাব মিয়া জানান, বিএনপির ইফতার মাহফিলের খাবার রান্নার করার অপরাধে পাঁচ-সাতজন পুলিশ এসে তাঁদের দুজন কর্মীকে মারধর করে ধরে নিয়ে যায়। তাঁকেও মারধর করে।
ফখরুদ্দীন কনভেনশন সেন্টারের ব্যবস্থাপক মো. হীরা বলেন, আজ তাঁদের এখানে ইফতার মাহফিলের জন্য জেলা বিএনপি সেন্টার ভাড়া নিয়েছিল। দুপুরে পুলিশ এসে জানতে চায়, কোনো রাজনৈতিক দলকে কেন ইফতার মাহফিলের জন্য ভাড়া দেওয়া হয়েছে। তিনি পুলিশকে জানান, তাঁদের তো ট্রেড লাইসেন্স আছে। রাজনৈতিক দলকে ইফতার মাহফিলের জন্য ভাড়া দেওয়া যাবে না এমন কোনো নিষেধাজ্ঞাও সরকারের নেই। এই কথা বলাতে পুলিশ তাঁকে গালাগাল করে লাঠি দিয়ে আঘাত করে।
তাঁদের কয়েকজন কর্মীকে মারধর করে, বাবুর্চিদের মারধর করে। কয়েকজন স্টাফ ভয়ে চলে যান। পুলিশ চেয়ার ফেলে দিয়ে ১০ মিনিটে সব পরিষ্কার করতে বলে।
এ ব্যাপারে জয়দেবপুর থানার ওসি রেজাউল করিম রেজা এনটিভি অনলাইনকে বলেন, তাঁর থানার কেউ কোনো ইফতার মাহফিল পণ্ড করেনি। এ রকম কোনো তথ্যও তাঁর জানা নেই। উৎসঃ এনটিভি