Tue. Apr 20th, 2021

বঙ্গবন্ধুর জন্ম শতবার্ষিকীতে ‘বঙ্গবন্ধু কর্নার’ পরিপুর্ন্যতা লাভ করেছে এর চেয়ে বড় পাওয়া হয়তো আমার জীবনে নাও আসতে পারে “বঙ্গবন্ধু কর্নার” এখন বাংলাদেশ ব্যাংকসহ প্রতিটি ব্যাংক, বিমা, স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের বিভিন্ন সরকারি, বেসরকারি স্থাপনায় দর্শনীয় স্থানে শোভা পাছে এর চেয়ে আমার জীবনে আর কি পাওয়ার আছে।বঙ্গবন্ধু কর্নার প্রতিষ্ঠিত করেছি কোন সম্মাননা বা পুরস্কার পাওয়ার আশায় নয়।

খােলাবাজার২৪, বুধবার, ৩১ র্মাচ ২০২১ঃ নিজস্ব প্রতিবেদকঃ ২০১৬ সালের ২৮ আগস্ট অগ্রণী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এমডি ও সিইও হিসেবে যোগদান করেন মোহাম্মদ শামস-উল ইসলাম। তিনি বঙ্গবন্ধুকে ভালোবেসে ২০১০ সালে সর্ব প্রথম অগ্রণী ব্যাংক মৌলভীবাজার আঞ্চলিক কার্যালয়ে “বঙ্গবন্ধু কর্নার” স্থাপন করেন। বঙ্গবন্ধু কর্নারের প্রতিষ্ঠাতা হলেন অগ্রণী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এমডি ও সিইও মোহাম্মদ শামস-উল ইসলাম। তিনি বাংগালী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকীকে স্মরণীয় করে রাখতে অগ্রণী ব্যাংকের প্রতিটি শাঁখায় “বঙ্গবন্ধু কর্নার” স্থাপন করেছেন। সম্প্রতি তিনি ১৬ মার্চে সিঙ্গাপুরে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবর্ষ পালনের অংশ হিসেবে দেশের বাহিরে প্রথম “বঙ্গবন্ধু কর্ণার” স্থাপন করেন “অগ্রণী এক্সচেঞ্জ হাউজ প্রাইভেট লিমিটেড, সিঙ্গাপুরে। দেশের বাইরে এটাই প্রথম কোন আর্থিক প্রতিষ্ঠান কর্তৃক “বঙ্গবন্ধু কর্ণার” স্থাপন।
অগ্রণী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এমডি ও সিইও মোহাম্মদ শামস-উল ইসলাম বলেন, বঙ্গবন্ধু কর্নার স্থাপন নিয়ে আমি নানান মানুষের নানান রকমের সমালোচনা শুনেছি। সেসব উপেক্ষা করে আমি বঙ্গবন্ধুকে ভালোবাসে “বঙ্গবন্ধুর কর্নার” স্থাপন করেছি।
অগ্রণী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এমডি ও সিইও মোহাম্মদ শামস-উল ইসলাম বলেন, আমি বঙ্গবন্ধু কর্নার প্রতিষ্ঠিত করেছি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমাকে মুল্যায়ন করুণ বা না করুন আমি খুশি, আমি “বঙ্গবন্ধুর কর্নার” প্রতিষ্ঠিত করছি কোন পদক বা সম্মাননা পাওয়ার জন্য নয়।
অগ্রণী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এমডি ও সিইও মোহাম্মদ শামস-উল ইসলাম বলেন, আমি যখন “বঙ্গবন্ধুর কর্ণার” চালু করি তখন আমাকে অনেকই বিভিন্নভাবে সমালোচনা করেছেন। আজ মুজিব শতবর্ষে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সারাদেশে “বঙ্গবন্ধু কর্নার” স্থাপন করার সিদ্বান্ত নিয়েছেন তাতে আমি অনেক খুশী হয়েছি। আমি মুজিবশতবর্ষ উপলক্ষে প্রত্যেকটি বিভাগীয় শাখায় “মুজিব কর্ণার” স্থাপন করেছি। আমি মুজিবশতবর্ষে উত্তরবঙ্গের চর এলাকায় বঙ্গবন্ধুর নামে একটি আদর্শ ও স্বাস্থ্যসম্মত গ্রাম গড়েছি। বাংলাদেশ শিশু একাডেমিতে আমি (অগ্রণী ব্যাংক) এবার বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীতে বঙ্গবন্ধু গোল্ড মেডেল দিয়েছি।
অগ্রণী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এমডি ও সিইও মোহাম্মদ শামস-উল ইসলাম আরও বলেন, মুজিবশতবর্ষ উপলক্ষে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে ঢোকার মুখে আমি একটি বঙ্গবন্ধু মোরাল স্থাপন করছি। এছাড়া রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের মেধাবী ছাত্রছাত্রীদের বঙ্গবন্ধ গোল্ড মেডেল দিয়েছি।


অগ্রণী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এমডি ও সিইও মোহাম্মদ শামস-উল ইসলাম বলেন, আজ সারাদেশে প্রধানমন্ত্রী “মুজিব কর্ণার” করার সিদ্বান্ত নিয়েছেন এবং তা বাস্তবায়ন হচ্ছে তাতে আমার চেয়ে বেশি আর কেউ খুশি নয়, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমাকে মুল্যায়ন করুণ বা না করুন আমি খুশি, আমি “বঙ্গবন্ধুর কর্নার” প্রতিষ্ঠিত করছি কোন পদক বা সম্মাননা পাওয়ার জন্য নয়।
আমি মনেকরি বঙ্গবন্ধুর কারণেই আজ আমি অগ্রণী ব্যাংকের এমডি ও সিইও। দেশ স্বাধীন না হলে আমি কোন দিনই অগ্রণী ব্যাংকের এমডি ও সিইও হতে পারতাম না। তাই বঙ্গবন্ধুকে ভালোবেসে আমার মনের টানে “বঙ্গবন্ধ কর্ণার” প্রতিষ্ঠিত করার চিন্তা করি।
অগ্রণী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মোহাম্মদ শামস-উল ইসলাম বলেন, আমি আনসার ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংকের এমডি থাকা অবস্থায়ও ২০১৫ সালে বঙ্গবন্ধুর ৪১তম শাহাদতবার্ষিকীতে ব্যাংকটির দ্বিতীয় তলায় চেয়ারম্যানের কক্ষ ও বোর্ডরুম সংলগ্নে আমি দ্বিতীয় ‘বঙ্গবন্ধু কর্নার’ স্থাপন করি। আমি অগ্রণী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এমডি ও সিইও হিসেবে যোগদানের একশ’ দিনের মধ্যেই প্রধান কার্যালয়ের চেয়ারম্যান, আমিসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের ফ্লোরের প্রবেশদ্বারে বঙ্গবন্ধু কর্নার স্থাপন করেছি। এখানে রয়েছে বঙ্গবন্ধুর ১০০ কেজি ওজনের ব্রোঞ্জের একটি আবক্ষ ভাস্কর্য। আরও আছে বঙ্গবন্ধু সম্পর্কিত বিভিন্ন বই, বক্তৃতার সিডি, অ্যালবামসহ বিভিন্ন প্রকাশনা। এখানে স্থাপিত মনিটরে বঙ্গবন্ধুর ভাষণ শোনার ব্যবস্থাও রয়েছে।বঙ্গবন্ধু কর্নার স্থাপন নিয়ে আমি নানান মানুষের নানান রকমের সমালোচনা শুনেছি। সেসব উপেক্ষা করে আমি বঙ্গবন্ধুকে ভালোবাসে “বঙ্গবন্ধুর কর্নার” স্থাপন করেছি।
অগ্রণী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এমডি ও সিইও শামস-উল ইসলাম বলেন, আমার এই উদ্যোগ যে আজ বঙ্গবন্ধুর জন্ম শতবার্ষিকীতে ‘বঙ্গবন্ধু কর্নার’ পরিপুর্ন্যতা লাভ করেছে এর চেয়ে বড় পাওয়া হয়তো আমার জীবনে নাও আসতে পারে “বঙ্গবন্ধু কর্নার” এখন বাংলাদেশ ব্যাংকসহ প্রতিটি ব্যাংক, বিমা, স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের বিভিন্ন সরকারি, বেসরকারি স্থাপনায় দর্শনীয় স্থানে শোভা পাছে এর চেয়ে আমার জীবনে আর কি পাওয়ার আছে।