খােলা বাজার২৪। শনিবার, ০৩ মার্চ , ২০১৮: আমরাতো উন্নয়নই করতে চায় আর বিএনপি-জামায়াত মানুষ খুন এবং আগুনে পুড়িয়ে হত্যা করে। প্রায় ৩ মাসের কাছাকাছি উনি (খালেদা জিয়া) অফিসে বসে বিরিয়ানি খান আর মানুষ পোড়ানোর হুকুম দেন বলে মন্তব্য করেছেন মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
শনিবার বিকালে খুলনার সার্কিট হাউস মাঠে জেলা ও মহানগর আওয়ামী লীগ আয়োজিত জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
এসময় তিনি বলেন, খালেদা জিয়ার মামলার রায়ে সরকারের কোনো হাত নেই। আর দুর্নীতি করলে সাজাতো পেতেই হবে। উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে নৌকা মার্কায় ভোট দিন। বিএনপির কাজ সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ সৃষ্টি করা এবং মানুষ পুড়িয়ে মারা। আওয়ামী লীগ উন্নয়ন চায়, একজন মানুষও গৃহহীন থাকবে না। খুলনা এখন শান্তির নগরী। তাই সন্ত্রাস যেন মাথা চাড়া দিতে না পাড়ে এজন্য সবার সহযোগীতা চায় এবং জঙ্গিবাদ মোকাবেলায় সবাইকে সজাগ থাকতে হবে।
তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকারের আমলে খুলনায় আমূল পরিবর্তন হয়েছে, ২০০৮ সালে আমরা খুলনার উন্নয়নের কথা বলেছিলাম। আজ ১০০টা উন্নয়ন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছি। বাংলাদেশে কেউ কুঁড়েঘরে থাকবে না। সেই ব্যবস্থা আমরা নিয়েছি। খুলনার উন্নয়নের দায়িত্ব নিয়েছিলাম। ১০টি নয়, ২০টি নয় আজকে ১০০টি প্রকল্প নিয়ে খুলনায় হাজির হয়েছি। এর মধ্যে ৪৮টি উদ্বোধন ও ৫২টি প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করে দিয়েছি।
তিনি বলেন, খুলনায় বিভিন্ন কল-কারখানা, বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ, রাস্তা-ঘাট নির্মাণ করেছি। এখন রেললাইন একেবারে মংলা বন্দর পর্যন্ত যেন যায় সেই প্রকল্পের কাজ শুরু করেছি। সামাজিক উন্নয়নের কাজ করে যাচ্ছি। আপনাদের এখন বই কিনতে হয় না, আমি বইয়ের দায়িত্ব নিয়েছি। জানুয়ারির ১ তারিখ বই উৎসব হয়। বই কিনতে বাবা-মাকে একটা টাকাও খরচ করতে হয় না। স্বাস্থ্যসেবা দিতে খুলনায় বিশেষায়িত হাসপাতাল করেছি। বিএনপি ক্ষমতায় ছিল, তখন ওই মংলা বন্দর বন্ধ করে দিয়েছিল। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসে মংলা বন্দর চালু করে দিয়েছি।
এ সময় খুলনাবাসীকে একটা সুখবরও দেন প্রধানমন্ত্রী। শেখ হাসিনা বলেন, খুলনাবাসীকে একটা সুখবর দিতে চাই। ভোলায় অনেক গ্যাস পাওয়া গেছে। সেই গ্যাস আমরা পাইপলাইনে করে বরিশাল ও খুলনা যেন আসে সেই ব্যবস্থা আমরা করে দেবো। আমরা বিজয়ী জাতি, মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে আমরা বিজয় অর্জন করেছি। সে ধারাতেই আমরা এগিয়ে যাচ্ছি। বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। দেশে দেড় কোটি মানুষকে চাকরি দিয়েছি। আমরা প্রত্যেক ঘরে ঘরে আলো জ্বালাতে চায়। ২০২১ সালের মধ্যে কোনো ঘরে অন্ধকার থাকবে না। সব ঘরে আলো জ্বালানোর ব্যবস্থা আমরা নিয়েছি।
সূত্র : যমুনা টিভি
