মঙ্গলবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সাগর-রুনী মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন। কনজুমার্স অ্যসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) বড়পুকুরিয়া খনির কয়লা চুরির অভিযোগের তদন্ত রিপোর্ট প্রকাশ উপলক্ষে এই সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে।
বড় পুকুরিয়ায় এক দশমিক ৪৪ লাখ মেট্রিক টন কয়লা চুরির অভিযোগে মামলা হলেও সেখানে প্রকৃতপক্ষে ৫ দশমিক ৪৮ লাখ মেট্রিক টন কয়লা আত্মসাৎ হয়েছে বলে দাবি করেছে কনজুমার্স অ্যসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব)।
সংবাদ সম্মেলনে সৈয়দ আবুল মকসুদ বলেন, আমরা কমিটির পক্ষ থেকে ব্যাপক অনুসন্ধান করার চেষ্টা করেছি। সরকারও কমিটি গঠন করেছে। আমরা সব পক্ষের সঙ্গে কথা বলেছি। আমরা সরকারকে সহযোগিতা করার চেষ্টা করেছি। দুর্নীতি ও জাতীয় সম্পদ লুণ্ঠনের বড় উদাহরণ এটি।
ক্যাবের জ্বালানি বিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক শামসুল আলম বলেন, কেবলমাত্র সেখানকার কর্মকর্তা-কর্মচারী নয়, পরিচালনা বোর্ড, পেট্রোবাংলা, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ ব্যর্থ হয়েছে। দুদকের অভিযোগপত্রে বিসিএমসিএল’র ৭ জন এমডিসহ ২৩ জন অভিযুক্ত। ক্যাবের কমিশন মনে করে ২৩ জনের সঙ্গে পেট্রো বাংলা ও জ্বালানি বিভাগের কর্মকর্তারা অভিযোগভুক্ত হবেন। তারা দায় এড়াতে পারেন না।
জ্বালানি বিশেষজ্ঞ বদরুল ইমাম বলেন, পেট্রো বাংলার প্রস্তাব মতে কয়লা সরবরাহের সিস্টেমলস ১.৫ শতাংশ ধরে নিলেও আত্মসাতের পরিমাণ দাঁড়ায় ৫ লাখ ৪৮ হাজার মেট্রিক টন।
সংবাদ সম্মেলনে আরও বক্তব্য রাখেন অধ্যাপক এমএম আকাশ, স্থপতি মোবাশ্বের হোসেন ও প্রফেসর সুশান্ত কুমার দাস।

