Sun. Jul 19th, 2026

বেনাপোল প্রতিনিধি: দুর্নীতি ও অনিয়মের নাম বেনাপোল কাস্টমস হাউস! সিপাহী মুসা ওরফে রনি দুর্নীতি ও অনিয়মের মাধ্যমে সরকারের হাজার কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকি দিতে সহযোগিতা করে এই সিপাহী মুসা ওরফে রনি।

২৭ বছর আগে বেনাপোল কাস্টমস কমিশনারের বাসায় ঝাড়ুদার হিসাবে মুসা ওরফে রনি চাকরি জীবনের শুরু হলেও পরে এই মুসা শিক্ষা সনদ জালিয়াতি করে বেনাপোল কাস্টমস হাউসের সিপাহী পদে চাকুরীতে যোগদান করে।

চতুর এই দুর্নীতিবাজ মুসা ওরফে রনির আর পিছনে তাকাতে হয়নি বেনাপোল কাস্টমস হাউসে  সরকারী হাজার হাজার কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকি কাজে লেগে পরে এই মুসা ওরফে রনি।

মুসা ওরফে রনি দীর্ঘ সময় ধরে বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশান এর সিপাহী হিসাবে কর্মরত ছিলো। সে সময়ে ভারতীয় পাসপোর্ট যাত্রীদের সাথে ল্যাগেজ সুবিধায় আনা অতিরিক্ত পণ্য সরকারী শুল্ক ছাড়াই পার করেই প্রতিদিন হাতিয়েছেন লাখ লাখ টাকা এবিষয়য় নিশ্চিত করেছে একাদিক সূত্র।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক কাস্টমস কর্মকর্তা জানান, ফ্যাসিস্ট সরকারের রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের সাথে মুসা ওরফে রনির ছিলো গভীর সখ্যতা সেই সময় তাদের নির্দেশে লাগ্যাগ স্ক্যানে না দিয়ে স্বর্ণ পাচারই ছিল এই মুসা ওরফে রনির প্রধান কাজ। স্বর্ণ পাচার করেই মুসা ওরফে রনি কামিয়েছে কয়েক শত কোটি টাকা

পাসপোর্ট যাত্রী, ল্যাগেজ ব্যবসায়ী ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের নিয়মিত সহযোগীতা দিয়ে এই দুর্নীতিবাজ মুসা সরকারের কয়েক হাজার কোটি টাকার রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে নিজে হাতিয়ে নিয়েছে শত কোটি টাকা। যাত্রীর সাথে আনা অতিরিক্ত পণ্য শুল্ক পরিশোধ বাদেই ছাড় করিয়ে দিত মুসা, তার চাহিদা মত পাসপোর্ট যাত্রী টাকা দিলেই যাত্রীর ল্যাগেস স্ক্যানার মেশিনে না তুলে বা চেকিং ছাড়া পার করাই ছিল এই দুর্নীতিবাজ মুসা প্রধান কাজ। এতে সরকার হারিয়েছে কয়েক হাজার কোটি টাকার রাজস্ব!

এই দুর্নীতিবাজ অবৈধ্য টাকা দিয়ে খুলনার বয়রা এলাকায় গড়ে তুলেছেন বিলাসবহুল বহুতল ভবন। মুসার জ্ঞাত আয় বর্হিভূত সম্পদ, গাড়ী ও বাড়ির হিসাব দেখলে চক্ষু চড়ক গাছ যার অধিকাংশই বেনামে স্ত্রী ও শশুরালয়ের আত্নীয় স্বজনের নামে ক্রয়কৃত বলে জানা গেছে। সিপাহী পদে সামান্য বেতনে চাকরি করে কিভাবে এই অঢেল অর্থবিত্তের মালিক হওয়া অসম্ভব?

বর্তমানে মুসা ওরফে রনি বেনাপোল কাস্টমস হাউসের আনস্টেপিং শাখার সিপাহী হিসাবে কর্মরত রয়েছে।

সরকারের হাজার কোটি টাকার রাজস্ব হারানোর নায়ক ও জালিয়াত এবং ঘুষখোর-দুর্নীতিবাজকে চাকরিচ্যুত করে দ্রুত আইনের আওতায় এনে তার অবৈধ ভাবে উপার্জিত স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ রাষ্ট্রীয়কোষাগারে নেওয়া হোক।