
এটি তৈরি করেছে ইকনোমিস্ট ইন্টেলিজেন্স ইউনিট। মঙ্গলবার (৩ সেপ্টেম্বর) প্রকাশিত এই তালিকায় ১৩৮তম অবস্থানে রয়েছে ঢাকা। ২০১৮ সালে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার অবস্থান ছিল দ্বিতীয়।২০১৯ সালে দ্বিতীয় স্থানে আছে নাইজেরিয়ার লাগোস। এরপরই ঢাকার অবস্থান।
মোটাদাগে পাঁচটি বিষয় সামনে রেখে এই র্যাংকিং প্রকাশ করে ইআইইউ। এ ক্ষেত্রে মোট পয়েন্টের মধ্যে স্থিতিশীলতা ও সংস্কৃতি ২৫ শতাংশ করে অর্ধেক পয়েন্ট পায়। এ ছাড়া স্বাস্থ্যসেবা ও অবকাঠামো খাত ২০ শতাংশ করে পয়েন্ট পায়। আর শিক্ষাব্যবস্থার মান বিবেচনায় বাকি ১০ শতাংশ হিসাব হয়। যেমন প্যারিসের অন্যসব বিষয় ঠিক থাকলেও চলমান বিক্ষোভের কারণে গত বছরের ১৯তম অবস্থান থেকে অবনতি হয়ে এবার ২৫তম অবস্থানে গিয়ে ঠেকেছে।
আগের বছরের মতোই ২০১৯ সালের তালিকায়ও প্রথমে আছে অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনা। শীর্ষ দশ বসবাসযোগ্য শহরের তালিকায় অস্ট্রেলিয়া, কানাডা এবং জাপানের আধিপত্য রয়েছে। রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার জের ধরে প্যারিস ও হংকং যথাক্রমে তালিকার ২৮ এবং ৩৮তম স্থানে নেমে গেছে। সিঙ্গাপুর আছে ৪০তম স্থানে। আর দুবাইয়ের অবস্থান ৭০-এ। পরিবেশ দূষণের কারণে দিল্লি এবং কায়রোর অবস্থান তালিকার নিচের দিকে নেমে গেছে।