খোলা বাজার২৪, শুক্রবার, ১ জানুয়ারি ২০১৬: ১ জানুয়ারি শুক্রবার থেকে শুরু হচ্ছে ‘পর্যটন বর্ষ ২০১৬’। দেশের পর্যটনশিল্পকে আরও গতিশীল করতে এ উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড পর্যটন বর্ষ পালনের কার্যক্রমগুলো পরিচালনা করছে। বিশ্বদরবারে বাংলাদেশকে পর্যটন শিল্পকে তুলে ধরতে সরকারের মহাপরিকল্পনার অংশ হিসেবে ‘ভিজিট বাংলাদেশ’ নামে উদযাপিত হবে পর্যটন বর্ষ।
গত বছর ২৭ অক্টোবর ঢাকায় অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক বৌদ্ধ ঐতিহ্য ও পর্যটন সম্মেলনের উদ্বোধনকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, পর্যটনশিল্পকে আরও গতিশীল করতে সরকার ২০১৬ সালকে পর্যটন বর্ষ হিসেবে উদযাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
মূলত ২০১৬ সালকে পর্যটন বর্ষ হিসেবে ঘোষণা করা হলেও কার্যক্রম চলবে ২০১৮ সাল পর্যন্ত। তিন বছরে সর্বমোট ১০ লাখ বিদেশি পর্যটককে বাংলাদেশে নিয়ে আসা, পর্যটন খাত থেকে ৩০ কোটি ডলার আয় এবং পর্যটন খাতে নতুন তিন লাখ কর্মক্ষেত্র তৈরির লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। সে লক্ষ্যেই কাজ করছে বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ড।
তবে এরই মধ্যে পর্যটন বর্ষের কার্যক্রম শুরু হয়ে গেছে বৃহস্পতিবার থেকে। তিন দিনব্যাপী ‘মেগা বিচ কার্নিভাল’ শুরু হয়েছে পৃথিবীর দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকত কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে। অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত এই উৎসবের উদ্বোধন করেন।
পৃথিবীর দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকতের ব্যাপক প্রচার ও প্রসারের উদ্দেশ্য বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ পর্যটন করপোরেশন, ট্যুরিজম বোর্ড ও কক্সবাজার জেলা প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই কার্নিভালে থাকছে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক আয়োজন, নৃত্য পরিবেশনা, দেশের পর্যটন আকর্ষণগুলোর আলাদা আয়োজন, ঘুড়ি উৎসব, বিচ ক্রিকেট টুর্নামেন্ট, বিচ ভলিবল, জলকেলি, বিচ ফুটবল, সার্ফিং, স্থানীয় খেলা, বালুর ভাস্কর্য, সাইক্লিংসহ নানা আয়োজন।
