
স্টাফ রিপোর্টার: বিগত ফ্যাসিস্ট আওয়ামীলীগের সরকারের সময়ে সরকারি আবাসন পরিদপ্তরে তথ্য গোপন করে ভুয়া স্থায়ী ঠিকানা ব্যবহার করে দুর্নীতি ও অনিয়মের মাধ্যমে জেলা কোটায় চাকুরি দিয়েছে অনেকে।
এবিষয়ে মাসুদ রানা নামের এক ব্যক্তি ০৯-১২-২০২৫ ইং তারিখে একটি লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন দুদক এর চেয়ারম্যান বরাবরে।
অভিযোগে বলা হয়েছে, গত ফ্যাসিস্ট আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে সরকারি আবসান পরিদপ্তরে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে
উল্লেখিত পদধারীগণ ভূয়া স্থায়ী ঠিকানা ব্যবহার করে চাকুরি গ্রহণ করেছে। যার ফলে প্রকৃত পক্ষে যারা চাকুরী পাওয়ার যোগ্য তারা জেলা কোটায় একটি লোকও চাকুরী পায়নি!
তারা বঞ্চিত হয়েছে তাদের চাকুরী হতে।
অভিযোগকারী দাবি করেছেন যারা বা যাদের ফ্যাসিস্ট আওয়ামীলীগ সরকারের আমলে দুর্নীতি ও অনিয়মের মাধ্যমে চাকুরী দেওয়া হয়েছে সেই সকল ব্যক্তিদের চাকুরি হতে অপসারণ করে তাদেরকে আইনের আওতায় এনে উপর্যুক্ত শাস্তির ব্যবস্থা করার।
যথা ক্রমিক নিন্মলিখিত ব্যক্তি গন তাদের ব্যক্তিগত তথ্য গোপন করে প্রকৃতি পক্ষে যারা চাকুরী পাওয়ার কথা তাদেরকে বঞ্চিত করছেন!
মোঃ আজিজুল, নিরাপত্তা প্রহরী, চাকুরি গ্রহণ করেছে নওগাঁ জেলার কোটায়, প্রকৃতি পক্ষে তার নিজ জেলা
চাঁদপুর, গীতা রানী হাওলাদার চাকুরি গ্রহণ করেছে গাইবান্ধা জেলার কোটায়, প্রকৃতি পক্ষে তার নিজ জেলা পিরোজপুর, মোঃ মশিউর রহমান, নিরাপত্তা প্রহরী, চাকুরি গ্রহণ করেছে রংপুর জেলার কোটায়, প্রকৃতি পক্ষে তার নিজ জেলা নীলফামারী, সন্তোষ কুমার, মালি, চাকুরি গ্রহণ করেছে সুনামগঞ্জ জেলার কোটায়, প্রকৃতি পক্ষে তার নিজ জেলা
টাংগাইল, মোঃ ফারুক মিয়া, অফিস সহায়ক, চাকুরি গ্রহণ করেছে ঢাকা জেলার কোটায়, প্রকৃতি পক্ষে তার নিজ জেলা জামালপুর, আকলিমা খাতুন, অফিস সহায়ক, চাকুরি গ্রহণ করেছে গোপালগঞ্জ জেলার কোটায়, প্রকৃতি পক্ষে তার নিজ জেলা
নড়াইল, মৌসুমী খন্দকার, উচ্চমান সহকারী, চাকুরি গ্রহণ করেছে পঞ্চগড় জেলার কোটায়, প্রকৃতি পক্ষে তার নিজ জেলা
দিনাজপুর, মোঃ আব্দুর রহিম, প্রধান সহকারী, চাকুরি গ্রহণ করেছে সিরাজগঞ্জ জেলে কোটায়, প্রকৃতি পক্ষে তার নিজ জেলা নোয়াখালী, মোঃ নজরুল ইসলাম, সহকারী হিসাব রক্ষক, চাকুরি গ্রহণ করেছে রংপুর জেলার কোটায়, প্রকৃতি পক্ষে তার নিজ জেলা লক্ষীপুর, এএসএম মাইদুল ইসলাম, উচ্চমান সহকারী, চাকুরি গ্রহণ করেছে গাইবান্ধা জেলার কোটায়, প্রকৃতি পক্ষে তার নিজ জেলা
নওগাঁ, মোঃ ফিরোজ করিব প্রধান, উচ্চমান সহকারী, চাকুরি গ্রহণ করেছে গাইবান্ধা জেলার কোটায়, প্রকৃতি পক্ষে তার নিজ জেলা কুড়িগ্রাম, মোঃ ফেরদাউস শেখ, অফিস সহায়ক, চাকুরি গ্রহণ করেছে বাগেরহাটে ভুয়া মুক্তিযোদ্ধার সার্টিফিকেট দিয়ে, মোঃ মনছুর ভুইয়া, অফিস সহায়ক, চাকুরি গ্রহণ করেছে গাজীপুর জেলার কোটায়, প্রকৃতি পক্ষে তার নিজ জেলা
চুয়াডাঙ্গা, তার স্কুল সার্টিফিেিকট ভুয়া, তিনি অষ্টম শ্রেণী পাশ করেছে আলমডাঙ্গা মাদ্রাসা থেকে।
অভিযোগে উল্লেখিত ব্যক্তিদের বাবা-মা, ভাইবোন এর এন.আই.ডি কার্ড, জমির দলিল, বিদ্যুৎ বিলের কপি, ওয়ারিশ সর্টিফিকেট সংগ্রহ করলেই প্রকৃত ঘটনা উন্মোচিত হবে।
ক্ষতিগ্রস্তদের দাবি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় দুর্নীতি ও অনিয়মের মাধ্যমে যারা চাকুরী গ্রহণ করেছে তাদের চাকুরী চুত করে আইনের আওতায় আনবেন এবং দুর্নীতি দমন কমিশনে চেয়ারম্যান বিষয়টি মানবিক করনে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।
